বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা কোম্পানি আইন সংশোধনে শেয়ার বাইব্যাক ও মার্জার-অ্যাকুইজিশনের বিধান চায় ডিবিএ হাটহাজারীতে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনে দুর্ঘটনায় দুই সেনাসদস্য নিহত ১৪ সেপ্টেম্বর আমরা টেকনোলজিসের বোর্ড সভা ধোবাউড়ায় ধানখেত থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি, উদ্বোধন ১২ সেপ্টেম্বর গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের নতুন চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাইদ মোর্শেদ পুঁজিবাজারে পরিস্থিতি নিয়ে ডিএসই ও ডিবিএ’র জরুরি বৈঠক ইরানের ৫ তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জর্ডানে পাল্টা হামলা তেহরানের
advertisement
জাতীয়

ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে বা অক্টোবরের শুরুতে সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত সতর্ক করে বলেছেন, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষ বা অক্টোবরের শুরুর দিকে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এরই মধ্যে দেশব্যাপী ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আঁচল ফাউন্ডেশন ও হিউম্যান রাইটস ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এ আশঙ্কার কথা জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গুতে মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয়, এরই মধ্যে তিনশো চিকিৎসককে ট্রেনিং দেয়া হয়েছে, আর সিভির সার্জনদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

ডা. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর পিক সময়ে হাসপাতালগুলোতে শয্যা, স্যালাইন ও পরীক্ষার কিটের সংকট এড়াতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমান রোগীর হার অনুযায়ী পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট ও স্যালাইন মজুত রয়েছে। সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুর জন্য নির্ধারিত শয্যাও চালু করা হয়েছে। রোগীর সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনে অন্যান্য শয্যা পুনর্বিন্যাস করে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় তিন মাসব্যাপী জনসচেতনতামূলক অভিযান শুরু করা হবে। এতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করা হবে। ঘরবাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সিটি করপোরেশন, স্থানীয় সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, জনসচেতনতা ও লার্ভা ধ্বংসের কার্যক্রম চালাবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকারের দুটি লক্ষ্য— আক্রান্তের সংখ্যা কমানো এবং মৃত্যুর হার কমানো। এ জন্য ইতোমধ্যে প্রায় তিন হাজার চিকিৎসককে ডেঙ্গু ব্যবস্থাপনা বিষয়ে রিফ্রেশার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

বেসরকারি হাসপাতালগুলোকেও ডেঙ্গুর পিক সময়ে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন হলে বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে এ সময়ে অযৌক্তিকভাবে চিকিৎসা ব্যয় বাড়ানো যাবে না এবং হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু রোগীদের জন্য নির্ধারিত শয্যা রাখতে হবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ