বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা রাজেশ শর্মা ২০২৬ ফিফা ফুটবল - যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘জালিয়াতি ও দাদাগিরির’ বিস্ফোরক অভিযোগ ইরানের প্রেসিডেন্টের সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী নরসিংদীতে ভারী বর্ষণে ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু ময়মনসিংহে সাড়ে আট ঘণ্টায় ১৭৪ মিমি বৃষ্টি, জলমগ্ন নগরী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু ১৪ জুলাই গ্রামীন ফোনের বোর্ড সভা দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল মামলার শুনানি শেষ, রায় বৃহস্পতিবার
advertisement
বিনোদন

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি অভিনেতা রাজেশ শর্মা

বিষাক্ত মাকড়সার কামড়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ভারতীয় অভিনেতা রাজেশ শর্মা। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় তাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলা হয়েছে, বিপদ এখনো কাটেনি। অভিনেতার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে তার। এর বেশি কিছু বলতে চাননি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অভিনেতার ঘনিষ্ঠ পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায় ও তার স্ত্রী সুদীপা চট্টোপাধ্যায় নিয়মিত হাসপাতালে খোঁজ নিচ্ছেন।

উদ্বেগ প্রকাশ করে সুদীপা বলেন, ‘ভেবেছিলাম বিপদ কেটেছে। কিন্তু এখন কথা বলে বুঝলাম, এখনও বিপদ কাটেনি। সুগার খুবই ওঠানামা করছে ওঁর। অক্সিজেন স্যাচুরেশন কমে যাচ্ছে। বিকেলে বেশ কিছু রিপোর্ট আসার কথা। দেখা যাক কী হয়।’

সুদীপা জানিয়েছেন, রাজেশ হায়দরাবাদে দক্ষিণী অভিনেতা প্রভাসের সঙ্গে একটি সিনেমার শুটিং করছিলেন। ‘রামোজি ফিল্ম সিটি’র ভিতরে একটি জঙ্গলে শুটিং চলছিল। যেদিন এই ঘটনা ঘটেছে, সেদিন সেটে প্রভাস ছিলেন না। বিরতির সময় রাজেশ সহকর্মীদের সঙ্গে জঙ্গলের মধ্যেই একটি জায়গায় চা খেতে গিয়েছিলেন। সেখানেই বিষাক্ত একটি মাকড়সা তাকে কামড় দেয়।

সুদীপা জানান, ওই এলাকায় বিষাক্ত পোকামাকড় থাকতে পারে বলে আগে থেকেই সতর্ক করা হয়েছিল। তবে বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কামড়ের পর দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে অভিনেতার শরীরে।

বর্তমানে রাজেশের জ্বর ওঠানামা করছে বলেও জানা গেছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিসে ভুগছেন। তাই তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবারও দুশ্চিন্তায়। হাসপাতালে রয়েছেন তার বৃদ্ধ মা, আর অন্য শহর থেকে পরিবারের সদস্যরাও নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ