বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আইপিও বরাদ্দে ইক্যুয়াল ডিস্ট্রিবিউশন পদ্ধতিই কেন সেরা? ওমান উপকূলে কার্গো জাহাজে হামলা, ভারতীয় নাবিক নিহত পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় স্বামী-স্ত্রীকে খুন বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট শুরু বৃহস্পতিবার বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি সচিবালয়ে আইডি কার্ড সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ মেঘনা ব্যাংকের কোম্পানীগঞ্জ উপশাখার উদ্বোধন টেকনাফে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ে সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত
advertisement
শেয়ারবাজার

বিনিয়োগের আগে জেনে নিন ফাস ফাইন্যান্স সম্পর্কে

মো: মাহিদুল ইসলাম।। বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এই ক্ষেত্রে অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনভি) ও আনুপাতিক হার (পিই রেশিও)। একটি কোম্পানির (পিই রেশিও) যত কম বিনিয়োগের জন্য কোম্পানিটি তত উত্তম। সাধারনত ৪০ পর্যন্ত পিই রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয় এর উপরে গেলে অবশ্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। পিই রেশিও থেকে আর ও বেশি গুরুত্বপূর্ন হচ্ছে নিট সম্পদ মূল্য (এনভি), এটা যত বেশী বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম ।

ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ২০২৩ সালের সমাপ্ত বছরের কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে -৪৭.৮৪ টাকা যা ২০২১ সালে ছিল ১৯.৯৪ টাকা, ২০২০ সালে ছিল -১৪.৬১ টাকা, ২০১৯ সালে ছিল -১০.১২ টাকা ও ২০১৮ সালে ছিল .৮৫ টাকা। কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনভি) হয়েছে ২০২৩ সালের -৮৬.১৪ টাকা, ২০২১ সালে ছিল -৩৩.৩২ টাকা, ২০২০ সালে ছিল -১৩.৪০, ২০১৯ সালে ছিল ১.৯৩ টাকা ও ২০১৮ সালে ছিল ১৪.১৯ টাকা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০১৮ সালে ৫ শতাংশ স্টক, ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ স্টক, ২০১৬ সালে ৫ শতাংশ স্টক, ২০১৫ সালে ১০ শতাংশ, ২০১২ সালে ৬ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে। তবে ২০১৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ৫ বছর কোম্পানিটির বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়া হয়নি।

পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, কোম্পানিটি ২১০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে ২০০৮ সালে তালিকাভুক্ত হয় কোম্পানির বর্তমান পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ১৪৯ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার ১৪ কোটি ৯০ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬৪ টি।

ডিএসই’র তথ্য অনুযায়ি, ৩০ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্যোক্তা পরিচালকের হাতে রয়েছে ১৩.২০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ৭.৯২ শতাংশ শেয়ার এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে ৭৮.৮৮ শতাংশ শেয়ার।

৩০ জুন ২০২৩ সমাপ্ত বছরে কোম্পানির শর্ট টার্ম লোন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়নি তবে লং টার্ম লোন ৮৬৮ কোটি ১৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। একই সময় রিসার্ভ অ্যান্ড সারপ্লাসে ছিল -১৪৩৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা।

গত বছর কোম্পানিটির শেয়ার দর উঠানামা হয়েছে ৩.২০ টাকা থেকে ৬.৭০ টাকার মধ্যে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সমাপনি দর ছিল ৩.৩০ টাকা। আজকের ওপেনিং ছিল ৩.৩০ টাকা। ২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে কোম্পানিটি বর্তমানে জেড ক্যাটাগরির অবস্থান করেছে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ