বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আইপিও বরাদ্দে ইক্যুয়াল ডিস্ট্রিবিউশন পদ্ধতিই কেন সেরা? ওমান উপকূলে কার্গো জাহাজে হামলা, ভারতীয় নাবিক নিহত পরকীয়া প্রেমিকের সাথে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় স্বামী-স্ত্রীকে খুন বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট শুরু বৃহস্পতিবার বড়দিন উপলক্ষে চাওয়া হল ২ কোটি টাকা অনুদান, প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি সচিবালয়ে আইডি কার্ড সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ মেঘনা ব্যাংকের কোম্পানীগঞ্জ উপশাখার উদ্বোধন টেকনাফে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক সচেতনতা ও আর্থিক সাক্ষরতা কর্মসূচি ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর বিজিবি-বিএসএফের উচ্চ পর্যায়ে সীমান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত
advertisement
জাতীয়

সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৪ হাজার এসআই, ৪ হাজার সার্জেন্ট ও ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজনের পরিকল্পনা

পুলিশ বাহিনীর জনবল সংকট দূর করতে এবং কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নতুন ১৮ হাজার পদ সৃজনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে ৪ হাজার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), ৪ হাজার সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) জাতীয় সংসদে রংপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমীনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, পুলিশের জনবল বৃদ্ধি সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা হলো— নতুন ৪ হাজার এসআই (নিরস্ত্র), ৪ হাজার সার্জেন্ট এবং ১০ হাজার কনস্টেবল পদ সৃজন করা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই পদসমূহ সৃজিত হলে রংপুর জেলাতেও জনবল বৃদ্ধি পাবে।

তিনি জানান, পুলিশের যানবাহন প্রদান সংক্রান্তে বর্তমান সরকারের গৃহীত পরিকল্পনা নিম্নরূপ: আগামী ৫ অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে টিওএন্ডইভুক্ত যানবাহন ও জলযানের ঘাটতি রাজস্ব বাজেটের মাধ্যমে ক্রয়পূর্বক পূরণ করা।

যানবাহনের প্রকৃত প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করার জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইপূর্বক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে যানবাহনের ঘাটতি পূরণ করা।

নবসৃষ্ট ইউনিট, জনবল এবং কাজের পরিধি বিবেচনায় টিওএন্ডইতে যানবাহন ও জলযানের সংখ্যা বৃদ্ধি করা।পর্যায়ক্রমে মাঠ পর্যায়ের ইউনিটসমূহে প্রয়োজনীয় যানবাহন সরবরাহ করা।

পুলিশকে নৈতিক প্রশিক্ষণ দেয়ার বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা আছে কিনা, সে বিষয়ে একটি সম্পূরক প্রশ্ন করেন সংসদ সদস্য মো. নুরুল আমিন। এর জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি বৃহৎ একটি বিষয়। প্রতিটি একাডেমিতে পিরিয়ডিকালি পুলিশের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সেখানেই নৈতিক, শারীরিক এবং বিভিন্ন একাডেমিক প্রশিক্ষণ হয়। এটি প্রচলিত পদ্ধতি। আলাদাভাবে নৈতিক প্রশিক্ষণের জন্য আপাতত বর্তমান সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ