বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য - জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী এক মাস পর সিলেট থেকে উদ্ধার নিখোঁজ দুই শিশুর একজন যে কাজ করলে আল্লাহর আরশ থর থর করে কেঁপে ওঠে লিড সনদ পেল আরও ৪ আরএমজি কারখানা ওয়ালটন ই-বাইক ও কম্পিউটার মেগা ডিল অফার শুরু - ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার পাওয়ার সুযোগ চরম যাত্রী সংকট - ১৬ জুলাই থেকে যশোর রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা সংসদে শিক্ষামন্ত্রী - পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন: সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু আগামী বছর থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাসের পর ছাত্রদল নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
advertisement
আইন-আদালত

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস দলবদ্ধ ধর্ষণ

একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক দম্পতিকে জিম্মি করে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় আদালত এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে এ মামলায় ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাদের সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আদালতে তাদের উপস্থিত করা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীসহ প্রাইভেটকারে শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফিরছিলেন এক তরুণী। এমসি কলেজের সামনে পৌঁছালে একদল যুবক তাদের পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এছাড়া দম্পতির কাছে থাকা অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া ও গাড়ি আটকে রাখার মতো গুরুতর অপরাধও ঘটে।

ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

 

 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ