বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

এমসি কলেজ ছাত্রাবাস দলবদ্ধ ধর্ষণ

একজনের মৃত্যুদণ্ড, তিনজনের যাবজ্জীবন

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে এক দম্পতিকে জিম্মি করে তরুণীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দীর্ঘ প্রতীক্ষিত রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। চাঞ্চল্যকর এই মামলায় আদালত এক আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি চারজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুর ২টায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে এ মামলায় ৮ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। সকাল ১১টার দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে তাদের সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আদালতে তাদের উপস্থিত করা হয়। এ সময় আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল।

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীসহ প্রাইভেটকারে শাহপরান মাজার এলাকা থেকে ফিরছিলেন এক তরুণী। এমসি কলেজের সামনে পৌঁছালে একদল যুবক তাদের পথরোধ করে এবং জোরপূর্বক কলেজ ছাত্রাবাসে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এছাড়া দম্পতির কাছে থাকা অর্থ ছিনিয়ে নেওয়া ও গাড়ি আটকে রাখার মতো গুরুতর অপরাধও ঘটে।

ঘটনার রাতে ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে আরও দুই ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা শনাক্ত হয়। গাড়ি আটকে রেখে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দায়ের করা পৃথক মামলাটিও এ মামলার সঙ্গে একত্রে বিচার করা হচ্ছে।

এদিকে ঘটনার পর আত্মগোপনে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‌্যাবের অভিযানে আট আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালে কয়েকজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে আলামতের মিল পাওয়া যায় বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর শাহপরান থানার তৎকালীন পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। এরপর অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে পৌঁছায়।

 

 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ