বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য - জাতীয় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী এক মাস পর সিলেট থেকে উদ্ধার নিখোঁজ দুই শিশুর একজন যে কাজ করলে আল্লাহর আরশ থর থর করে কেঁপে ওঠে লিড সনদ পেল আরও ৪ আরএমজি কারখানা ওয়ালটন ই-বাইক ও কম্পিউটার মেগা ডিল অফার শুরু - ১ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশভাউচার পাওয়ার সুযোগ চরম যাত্রী সংকট - ১৬ জুলাই থেকে যশোর রুটে ফ্লাইট বন্ধ করছে ইউএস-বাংলা সংসদে শিক্ষামন্ত্রী - পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন: সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়ার ঘোষণা হাম ও উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু আগামী বছর থেকে জানুয়ারিতে এসএসসি, জুনে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাসের পর ছাত্রদল নেতার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
advertisement
আন্তর্জাতিক

ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর

মানবপাচারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে বাংলাদেশি মামুন

ব্রাজিল থেকে প্রত্যর্পণের পর বাংলাদেশি নাগরিক সাইফুল্লাহ আল-মামুন (৩৯) মঙ্গলবার টেক্সাসের লারেডোতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতে প্রথমবারের মতো হাজির হন। তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে পাচারের ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আদালতের নথি অনুযায়ী, আল-মামুন এবং তার দুই সহঅভিযুক্ত মোহাম্মদ মিলন হোসেন (৪৬) ও মোক্তার হোসেন (৩৮) দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য আমেরিকা ও মেক্সিকো হয়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশে সহায়তা করতেন।

অভিযোগে বলা হয়, আল-মামুন ব্রাজিলের সাও পাওলোতে অভিবাসীদের আশ্রয় দিয়ে তাদের যাত্রার ব্যবস্থা করতেন। মোহাম্মদ মিলন হোসেন মেক্সিকোর তাপাচুলায় তাদের রাখতেন এবং মন্টেরেতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতেন। এরপর মোক্তার হোসেন মন্টেরেতে তাদের আশ্রয় দিয়ে কীভাবে রিও গ্র্যান্ডে নদী পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে হবে সে বিষয়ে নির্দেশনা দিতেন। এই ঝুঁকিপূর্ণ পথ অতিক্রম করতে গিয়ে অনেক অভিবাসী বিপদের মুখে পড়েন।

তদন্তে আরও জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশে অবস্থানরত দালালদের কাছে অনেক অভিবাসী কয়েক হাজার থেকে কয়েক দশ হাজার ডলার পর্যন্ত পরিশোধ করেছিলেন। আল-মামুনকে ২০১৯ সালের ৩১ অক্টোবর ব্রাজিলে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে একই মামলায় অভিযুক্ত মোহাম্মদ মিলন হোসেন ও মোক্তার হোসেন দোষ স্বীকার করে প্রত্যেকে ৪৬ মাসের কারাদণ্ড পান।

আল-মামুনের বিরুদ্ধে আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অবৈধ অভিবাসীকে যুক্তরাষ্ট্রে আনা, এ কাজে ষড়যন্ত্র এবং অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে উৎসাহ ও সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে অভিবাসী পাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে তার ন্যূনতম ৫ বছর এবং সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। এছাড়া ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

মামলাটি তদন্ত করছে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (এইচএসআই), যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্রাজিল ও কলম্বিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্রাজিল থেকে আল-মামুনকে প্রত্যর্পণে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

প্রসিকিউটররা জানান, এটি একটি অভিযোগপত্র মাত্র। আদালতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আল-মামুন আইনগতভাবে নির্দোষ বলে গণ্য হবেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ