সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
ষষ্ঠ থেকে স্নাতক পর্যন্ত ছাত্রীদের সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের সকল কার্যালয় তামাকমুক্ত ঘোষণা হাম উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু স্বাস্থ্যসেবায় প্ল্যান মেডি ট্রিপের সঙ্গে যমুনা ব্যাংকের ০% ইএমআই সুবিধা পাঁচ বছর ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন উপস্থাপক সামিয়া ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর লালমনিরহাটে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ক্লিনিক পরিচালক গ্রেপ্তার ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনা হবে: সেতুমন্ত্রী টোল প্লাজায় ট্রাকে মিলল ৫ কোটি টাকার হেরোইন
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, আবেদন শুরু ২ সেপ্টেম্বর

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী, আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইটে এ নীতিমালা প্রকাশ করা হয়। 

এতে বলা হয়েছে, দেশের কলেজ ও সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এসব আসনে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

এছাড়া মহানগর, বিভাগীয় ও জেলা সদরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ এবং মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এ দুই শ্রেণিতে মোট ২ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে। তবে সংরক্ষিত আসনে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ন্যূনতম যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।

মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যাদের জন্য ৫ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হয়েছে। সংরক্ষিত আসনে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রমাণপত্র বা গেজেটের সত্যায়িত কপি আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। ভর্তির সময় এসব কাগজের মূল কপি প্রদর্শন করতে হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ইস্যু করা মুক্তিযোদ্ধা সনদ যথাযথভাবে যাচাই করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা পাওয়া না গেলে সংরক্ষিত আসনে মেধাতালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এসব আসন শূন্য রাখা যাবে না।

সংরক্ষিত আসনে আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হলে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দপ্তরপ্রধানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হবে। কোনো কর্মকর্তা নিজেই দপ্তরপ্রধান হলে তার এক ধাপ ওপরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রত্যয়নপত্র দাখিল করতে হবে।

এবারও এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। ভর্তির জন্য কোনো ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হবে না। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে। ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে। অনলাইন আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।

নীতিমালা অনুসারে, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের বছর এবং তার আগের দুই বছরের শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদনের সুযোগ পাবেন।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবেন। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা নিজ বিভাগ ছাড়াও পরস্পরের বিভাগে এবং সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা ইসলামি শিক্ষা, গার্হস্থ্য বিজ্ঞান ও সংগীত বিভাগে আবেদন করতে পারবেন। এ ছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা বোর্ডের শিক্ষার্থীরাও নীতিমালা অনুযায়ী সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

ভর্তি ফি ও অন্যান্য খরচ

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটনে সেশন চার্জ ও ভর্তি ফি সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা (বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম)। অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩ হাজার টাকা, জেলা সদরে ২ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বলে ১হাজার৫০০ টাকা ফি নেওয়া যাবে।

অন্যদিকে নন-এমপিও বা আংশিক এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে ৮ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মেট্রোপলিটন এলাকায় বাংলা মাধ্যমে ৫ হাজার টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৬ হাজার টাকা। জেলায় বাংলা মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৪ হাজার টাকা এবং উপজেলা বা মফস্বল পর্যায়ে বাংলা মাধ্যমে ২ হাজার ৫০০ টাকা ও ইংরেজি মাধ্যমে ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রাথমিক নিশ্চায়নের সময় বোর্ডকে সর্বমোট ৩৪০ টাকা ফি প্রদান করতে হবে।

এদিকে বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র (টিসি) ইস্যু বা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অননুমোদিত শাখা বা বিষয়ে ভর্তি করা হলে কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি বা এমপিওভুক্তি বাতিল করা হতে পারে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ