শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র সমাধান: জাতিসংঘে বাংলাদেশ গফরগাঁওয়ে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ যুক্তরাষ্ট্রে ওয়ালটনের পিসিবিএ রপ্তানি উদ্বোধন করলেন আইসিটিমন্ত্রী সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সের ৩৮তম বার্ষিক সাধারণ সভা লন্ডনে এক পরিবারের ৪৩ সদস্যের বসবাস, এ যেন এক টুকরো বাংলাদেশ নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মা-ছেলের মৃত্যু বেনাপোল বন্দরে পণ্যপাচার ও শুল্ক ফাঁকি - আরও দুই মামলায় ২৪ জন আসামি : এক সপ্তাহেও গ্রেফতার নেই যমুনা ফিউচার পার্কে ২ দিনের ‘কে-গুডস ফেস্টা’ শুরু যাত্রী ছাউনিতে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর সন্তান প্রসব ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং প্রকাশ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

বাংলাদেশ সময়মতো আইএমএফের কাছে না গেলে বড় ধরনের বিপর্যয় হতো

নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান কৌশিক বসু বলেন, সময়মতো আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ঋণের জন্য গেছে বাংলাদেশ। সময়মতো আইএমএফের কাছে না গেলে বড় ধরনের বিপর্যয় হতে পারতো। শ্রীলঙ্কা তা পারেনি, সে জন্য তারা বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে।

শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর সি মজুমদার মিলনায়তনে ‘বাঙলার পাঠশালা’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তিনি এ কথা বলেন। উন্নয়ন নীতি নিয়ে ওই আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম

সাংবাদিকেরা কৌশিক বসুর কাছে নানান বিষয়ে মতামত জানতে চান, যার মধ্যে একটি ছিল আইএমএফের কাছ থেকে নেওয়া ৪৭০ কোটি মার্কিন ডলারের ঋণ ও ঋণের শর্ত প্রসঙ্গ।

আইএমএফের শর্তের কারণে বিভিন্ন খাতে ভর্তুকি প্রত্যাহার করতে হয়। এতে মানুষের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে। এ প্রসঙ্গে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, সারা জীবন এই ভর্তুকি দেওয়া যাবে না। আবার সাধারণ মানুষ সবচেয়ে অরক্ষিত, তাদের কথা ভাবতে হবে, সংস্কারও করতে হবে।

আইএমএফের শর্তের প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালে ভারতের একটি ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, তখন ভারতের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে ১৩ দিনের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো অবস্থা ছিল। সেই অবস্থায় ভারত আইএমএফের দ্বারস্থ হয়। তারা সহায়তা করে। তবে ভারত তখন খুব ভালোভাবে সংস্কার করেছে। দুই বছর পর ভারত আইএমএফকে বলল, বাকি অর্থের প্রয়োজন নেই।

এ সময় কৌশিক বসু বলেন, বাংলাদেশের পক্ষেও ভালোভাবে সংস্কার করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিতে হবে। ভর্তুকি প্রত্যাহার করা হলে সাধারণ মানুষের জন্য আপদকালীন সাহায্য করতে হবে। তাহলে তারা মনে করবে, সরকার তাদের জন্য কিছু করছে। অর্থাৎ ভারসাম্য রাখতে হবে। বাংলাদেশের কর-জিডিপির অনুপাত (মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির বিপরীতে কর আদায়ের অনুপাত) ১৪-১৫ শতাংশ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া সম্ভব- যা এখন ১০ শতাংশের নিচে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ