শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ময়মনসিংহে ডিবি-ডিজিএফআই পরিচয়ে অপহরণ, গ্রেপ্তার ৫ তারাকান্দায় ৩৪০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ, ৩ জনের বিরুদ্ধে  মামলা বেনাপোল সীমান্তে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার মাদক রুখতে ৭৫ প্রতিষ্ঠান-সংগঠনে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার - ৬৪ জেলায় শতভাগ সার বরাদ্দ বিএনপি সরকারের দেশের বাজারে বাড়লো স্বর্ণ ও রুপার দাম, ভরি কত? গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ
advertisement
সারাদেশ

কোরবানির পশু উৎপাদনে রেকর্ড ঝিনাইদহ উদ্বৃত্ত আছে ৫৬ হাজার গবাদিপশু

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুর প্রস্তুতিতে রেকর্ড গড়েছে ঝিনাইদহ জেলা। জেলার ছয়টি উপজেলায় এবার বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু প্রস্তুত করা হয়েছে, যা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায় জোগান দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ঝিনাইদহে চাহিদার তুলনায় প্রায় ৫৬ হাজার ৯৭৭টি গবাদিপশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তথ্যমতে, ঝিনাইদহের সদর, শৈলকূপা, হরিণাকুণ্ডু, কালীগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও মহেশপুর এই ছয়টি উপজেলায় মোট ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৭টি গবাদিপশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

এরমধ্যে গরু রয়েছে ৯৩ হাজার ৫৭২, মহিষ ১ হাজার ৩৩৪টি, ছাড়ল ১ লাখ ৪৮ হাজার ২৩০ এবং ভেড়া রয়েছে ৯ হাজার ২৬১ টি।পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ বছর জেলায় মোট কোরবানির পশুর চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪২০টি। চাহিদার বিপরীতে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৩৯৭টি। অর্থাৎ ৫৬ হাজারেরও বেশি পশু ঝিনাইদহ থেকে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বড় পশুর হাটে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

উপজেলা ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ঝিনাইদহ সদর ও শৈলকূপা উপজেলায় সবচেয়ে বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, খামারিদের নিরলস প্রচেষ্টায় এবং আধুনিক প্রজনন পদ্ধতির ফলে জেলায় পশুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে।

হরিণাকুন্ডুর পায়রাডাঙ্গা গ্রামের খামারী হাফিজুর রহমান জানান, এবার বাজারদর স্থিতিশীল থাকলে তারা লাভবান হবেন। গত বছরের তুলনায় পশুখাদ্যের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও পশুর মান ও স্বাস্থ্যের দিকে নজর দেওয়া হয়েছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর ওষুধ বা হরমোন ছাড়াই প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ এ এস এম আতিকুজ্জামান জানিয়েছেন, “ঝিনাইদহ একটি কৃষিপ্রধান জেলা এবং এখানে পশু পালন একটি বড় অর্থনৈতিক ভিত্তি। কোরবানির হাটে অসুস্থ পশু কেনাবেচা রোধে প্রতিটি হাটে মেডিকেল টিম থাকবে। এছাড়া পশু পরিবহনে যেন কোনো চাঁদাবাজি বা হয়রানি না হয়, সেদিকেও কড়া নজরদারি রাখা হবে।”

তিনি আরো জানান, ঝিনাইদহের এই বিপুল পরিমাণ উদ্বৃত্ত পশু দেশের কোরবানির পশুর বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং মাংসের চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোরবানির হাটে পশুর সংকট হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই এবং ঝিনাইদহের খামারিরা এবার দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে প্রস্তুত বলেও তিনি যোগ করেন।

 

 

 

 

 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ