বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
খেলাধুলা

জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয় বাংলাদেশের

টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে হারের তিক্ততা কাটিয়ে জিম্বাবুয়ের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে সফর শেষ করল বাংলাদেশ। রোববার (১৯ জুলাই) সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে ৪ উইকেটে হারিয়ে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছেন টাইগাররা।

এর আগে প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হারলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরেছিল বাংলাদেশ। উল্লেখ্য, এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো জিম্বাবুয়ের মাটিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল টাইগাররা।

বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় ওভারে মাহেদি হাসানের বলে ওপেনার মারুমানি ফিরে যান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ব্রায়ান বেনেট ও ডিওন মায়ার্স মিলে সামাল দেন প্রাথমিক ধাক্কা। বেনেট ৪৭ রান করে সাইফুদ্দিনের বলে বোল্ড হন। এরপর অধিনায়ক সিকান্দার রাজাও বড় কিছু করতে পারেননি।

শেষ তিন ওভারে বাংলাদেশ বোলারদের দারুণ বোলিং ও ফিল্ডিংয়ে মাত্র ১৬ রান তুলতে ৪ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৩ রান সংগ্রহ করে জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন ডিওন মায়ার্স। বাংলাদেশের পক্ষে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন ২টি এবং মাহেদি, রিশাদ ও সাকলাইন ১টি করে উইকেট নেন।

১৪৪ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দলীয় ৪ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে পাওয়ার প্লে-র পর তানজিদ হাসান ও পারভেজ হোসেন ইমন সাবধানী ব্যাটিংয়ে দলের হাল ধরেন। ইমন ২৪ রান করে ফেরার পর অধিনায়ক তাওহিদ হৃদয়কে সাথে নিয়ে জয়ের ভিত গড়ে দেন তানজিদ।

জয়ের পথে তানজিদ তুলে নেন টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ১৩তম হাফ-সেঞ্চুরি। শেষ ওভারে বাংলাদেশের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৫ রান। ইভান্সের প্রথম বলে ১ রান নেওয়ার পর মোসাদ্দেক ও সাইফুদ্দিন আউট হলে কিছুটা শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তবে চতুর্থ বলেই কভারের ওপর দিয়ে দুর্দান্ত এক বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করেন মাহেদি হাসান। ৫৮ বলে ৬৬ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংস উপহার দিয়ে অপরাজিত থাকেন তানজিদ হাসান।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ