শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
জুন মাসে রপ্তানি আয় বাড়ল ২৫.৯১ শতাংশ: ঘুরে দাঁড়ানোর পথে বাংলাদেশের অর্থনীতি ইসলামী ব্যাংক ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষর শুক্রবার চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নারীসহ আটক হওয়ার ঘটনায় পদ হারালেন যুবদল নেতা প্রাথমিকে কাটল ৯ বছরের জট - ৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি, নতুন নিয়োগ ৩৮ হাজার: শিক্ষামন্ত্রী ২০ পদে ২৫১ জনকে নিয়োগ দেবে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১০০ জনকে চাকরি দেবে প্রাণ গ্রুপ এনআরবিসি ব্যাংকে  মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের সমাপনী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র আকাশ হত্যা - দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড, বাবা-চাচার ৭ বছরের কারাদণ্ড সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ
advertisement
শেয়ারবাজার

বাংলাদেশ ফাইন্যান্স সম্পর্কে বিস্তারিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন। এজন্য অবশ্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি), আনুপাতিক হার (পিও রেশিও), কারণ এগুলো একটি কোম্পানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূন্য। সাধারণত ৪০ পর্যন্ত পিও রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয়। এর উপরে গেলে অবস্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ। পিও রেশিও থেকে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিট সম্পদমূল্য (এনভি)। এটি যত বেশি বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ফাইন্যান্স কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হলো ২০১৭ সালে ১৬ টাকা ৪১ পয়সা, ২০১৮ সালে ১৬ টাকা ৭৭ পয়সা, ২০১৯ সালে ১৬ টাকা ৩৭ পয়সা, ২০২০ সালে ১৭ টাকা ৮৬ পয়সা এবং ২০২১ সালে ১৭ টাকা ৭৩ পয়সা।

পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরের ভিতরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০১৭ সালে ২ টাকা ০১ পয়সা, ২০১৮ সালে ১ টাকা ৮৫ পয়সা, ২০১৯ সালে ১ টাকা ১২ পয়সা, ২০২০ সালে ১ টাকা ৮০ পয়সা এবং ২০২১সালে ১ টাকা ৪৪ পয়সা।

২০২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’-সেপ্টেম্বর’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪২ পয়সা, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর’-ডিসেম্বর’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৭৮ পয়সা, তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি’-মার্চ’২২) কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৮৪ পয়সা।

লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্য পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের, ২০১৭ সালে ১০ শতাংশ বোনাস, ২০১৮ সালে ১০ শতাংশ বোনাস , ২০১৯ সালে ১০ শতাংশ নগত , ২০২০ সালে ৬ শতাংস নগত ও ৬ শতাংস বোনাস এবং ২০২১ সালে ৬ শতাংশ নগদ ও ৬ শতাংস বোনাস লভ্যাংশ প্রদান করেছ ।

গত এক মাসে ডিএসসিতে দর ওঠানামা হয়েছে ৪৪.১০-৪৪.১০ টাকা । একবছরে দর ওঠানামা হয়েছে ৩৮.২০-৫৩.১০ টাকা। কোম্পানিটির রিজার্ভ ও সারপ্লাস এ আছে ১২৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা; হিসাব বছর ’(জানুয়ারি-ডিসেম্বর)। কোম্পানির হালনাগাত প্রান্তিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে (পিই রেশিও)৩৯.৩৮ এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে (পিই রেশিও) ৩০.৬৩।

কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৮ কোটি ৮২ লাখ ৩৬ হাজার ২৬৭ টি। তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩১.২০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১২.২৮ শতাংশ শেয়ার এবং অবশিষ্ট ৫৬.৫২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

কোম্পানিটি ৬০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন নিয়ে ২০০৭ সালে দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ১৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা।কোম্পানিটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা।পুঁজিবাজারে তালিকাভূক্ত ’আর্থিক প্রতিষ্ঠান’ খাতের এ কোম্পানিটি বর্তমানে ” এ ” ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ