মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি: মানুষের ওপর জুলুম এবার বাড়লো মহানগর ও দূরপাল্লার বাসের ভাড়া ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অল্লু অর্জুন-দীপিকার ‘রাকা’ বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত - পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নিউইয়র্ক–ঢাকা রুটে বিমান চালুর রোডম্যাপ চান যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীরা
advertisement
শেয়ারবাজার

এফএএস ফাইন্যান্সের পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক : পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিতে ৫ জনকে স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ করা হয়েছে।

বুধবার (১৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক আদেশে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়।

আদেশে বলা হয়, আমানতকারী ও ফাইন্যান্স কোম্পানির যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাসহ জনস্বার্থে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়েছে। এতে চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাবেক মেজর জেনারেল মো. আনোয়ারুল ইসলামকে। বাকি চার স্বতন্ত্র পরিচালক হলেন- বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. আব্দুল হাকিম, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম, জনতা ব্যাংকের সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. মোখলেসুর রহমান এবং মোস্তফা কামাল আহমদ।

জানা যায়, ২০১২ সাল পর্যন্ত ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্টের একক নিয়ন্ত্রণে ছিল নিটল-নিলয় গ্রুপ। সেই সময় পর্যন্ত এফএএস ফাইন্যান্সের প্রায় ৩৫ শতাংশ শেয়ারের মালিকানা ছিল নিটল-নিলয় গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির হাতে। তখন সেটি ভালো মানের আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু ২০১৩ সালে পুঁজিবাজার থেকে শেয়ার কিনে এফএএস ফাইন্যান্সের পর্ষদে যুক্ত হতে শুরু করেন পিঅ্যান্ডএল ইন্টারন্যাশনাল ও রেপটাইল ফার্ম নামে দুই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

আর নিটল-নিলয় গ্রুপ প্রতিষ্ঠানটি ছাড়তে শুরু করে। এরপর আর্থিক খাতের আলোচিত ব্যক্তি পি কে হালদারের সমর্থনে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় যুক্ত হয় সিমটেক্স ও ডিজাইন অ্যান্ড সোর্স নামের আরও দুটি প্রতিষ্ঠান। এরই একপর্যায়ে ২০১৭ সালে পুরো প্রতিষ্ঠানটি চলে যায় পি কে হালদারের হাতে। এরপর থেকেই অর্থ লুটপাট চলে প্রতিষ্ঠানটিতে।

বর্তমানে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির ৯৯.৮৯ শতাংশ ঋণই খেলাপি হয়ে পড়েছে। এর আগে ১১টি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ