রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম
সূচকের বড় উত্থানে বেড়েছে লেনদেন ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৪৩০ ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন জহির হোসেন স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর নতুন কৌশল শনাক্ত: ক্যাসপারস্কি রহিমআফরোজ ডিস্ট্রিবিউশনের নতুন RZ Solar IPS উন্মোচন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে ওরিয়েন্টশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ - চূড়ান্ত হলো শেষ ৩২-এর সূচি: জেনে নিন কার প্রতিপক্ষ কে? সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব ব্যারিস্টার খোকনের পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে ২৬ জেলার ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
advertisement
শেয়ারবাজার

বিনিয়োগের আগে জেনে নিন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস সম্পর্কে

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিনিয়োগের আগে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সার্বিক অবস্থা জেনে বিনিয়োগ করা প্রয়োজন । এজন্য অবস্যই জানতে হবে কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ার প্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি), আনুপাতিক হার (পিও রেশিও), কারণ এগুলো একটি কোম্পানির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূন্য । একটি কোম্পানির পিও রেশিও যত কম হবে বিনিয়োগের জন্য কোম্পানিটি তত উত্তম । কারণ পিও রেশিও না থাকলে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হবে । সাধারণত ৪০ পর্যন্ত পিও রেশিও স্বাভাবিক ধরা হয়। এর উপরে গেলে অবস্যই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ । পিও রেশিও থেকে আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নিট সম্পদমূল্য (এনভি) । এটি যত বেশি বিনিয়োগের জন্য ততই উত্তম।


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী কোম্পানির গত ৫ বছরের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ (এনএভি) হলো ২০১৮ সালে ৭৮ টাকা ৪১ পয়সা, ২০১৯ সালে ৮৬ টাকা ০৩পয়সা, ২০২০ সালে ৯১ টাকা ৫৭ পয়সা ২০২১ সালে ১০২ টাকা ৫৪ পয়সা এবং ২০২২ সালে ১১৬ টাকা ৭০ পয়সা।


পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরের ভিতরে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০১৮ সালে ১৫ টাকা ৭২ পয়সা, ২০১৯ সালে ১৬ টাকা ০৩ পয়সা, ২০২০ সালে ১৫ টাকা ৮২ পয়সা, ২০২১ সালে ১৭ টাকা ৯৯ পয়সা এবং ২০২২ সালে ২০ টাকা ৫১ পয়সা।


জানা যায়, ২০২১-২০২২ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই’২২-সেপ্টেম্বর’২২) কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৬ টাকা ২ পয়সা।


লভ্যাংশ সংক্রান্ত তথ্যপর্যবেক্ষনে দেখা যায়, বিগত ৫ বছরের কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের, ২০১৮ সালে ৩৬ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৪২ শতাংশ, ২০২০ সালে ৪৭ শতাংশ, ২০২১ সালে ৬০ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করেছে। কোম্পানিটি গত ৫ বছরের মধ্যে ২০১৮ সালে ৭ শতাংশ ২০১৯ সালে ৭ শতাংশ এবং ২০২০ সালে ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করেন।

গত এক মাসে দর উঠানামা হয়েছে ২০৯.৮-২০৯.৮ টাকা এবং একবছরে দর ওঠানামা হয়েছে ২০৭.৫০-২৩৫.৬০ টাকা ।

জানা যায়, ২০২১-২০২২ হিসাব বছরে ‘জুলাই-জুনে’ সঞ্চয় ও বাড়তি আয়/(লোকসান) ৯২৫৫কোটি ৩০ লাখ টাকা। হালনাগাদ প্রান্তিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোম্পানিটির মূল্য ও আয় অনুপাত (পিই রেশিও ) ৮.৪৬ এবং বার্ষিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১০.২৩ ।


পর্যবেক্ষনে দেখা যায়, কোম্পানিটি ১০০০ কোটি অনুমোদিত মূলধন নিয়ে ১৯৯৫ সালে দেশের প্রধান শেয়ার বাজারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয় । কোম্পানিটির বর্তমানে পরিশোধিত মূলধনের পরিমান ৮৮৬ কোটি ৪৫ লাখ ১০ হাজার টাকা । কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৮ কোটি ৬৪ লাখ ৫১ হাজার ০১০ টি । অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। তাদের মধ্যে উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩৪.৬৭ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠনিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৪.৮৬ শতাংশ শেয়ার, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৩.৫১ এবং বাকি ৩৬.৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।বাজারে তালিকাভূক্ত ’ওষধ ও রসায়ন’ খাতের এ কোম্পানিটি বর্তমানে ” এ ” ক্যাটাগরিতে অবস্থান করেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ