শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

৫ মাস পর আ.লীগ নেতা হিরণ ও তার ড্রাইভারের লাশ উত্তোলন

আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট ঝিনাইদহে জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের জেরে গণপিটুনী ও অগ্নিকান্ডে নিহত আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম হিরণ ও তার গাড়ি চালক আক্তার হোসেনের লাশ উত্তোলন করা হয়।

আদালতের আদেশে বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) হিরনের গ্রামের সদর উপজেলার বাড়ি আড়ুয়াকান্দি ও আক্তারের গ্রামের বাড়ি ভুপতিপুরের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তাদের লাশ ময়না তদেন্তর জন্য উত্তোলন করা হয়।

গত বছরের ৫ আগষ্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জনতা তার বাড়ি ঘেরাও করলে শহিদুল ইসলাম হিরণ জনতার উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষন করেন। এতে অন্তত ২৫ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ ঘটনায় ক্ষুদ্ধ হয়ে শহিদুল ইসলাম হিরণের ঝিনাইদহ শহরের স্টেডিয়াম পাড়ার বাসা ঘেরাও করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে হিরন ঘরের মধ্যে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান। প্রচন্ড জনরোষে তার গাড়ি চালক আক্তারকেও কুপিয়ে হত্যা করে জনতা। হিরণকে হত্যার পর ৫ আগষ্ট সন্ধ্যার দিকে তার লাশ ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে জুলিয়ে রাখা হয়। এই ভিডিও বিশ্বব্যাপী ভাইরাল হয়। ফলে চারিদিকে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় শহিদুল ইসলাম হিরণের ভাতিজা জিয়াউল আলম গত বছরের ২০ নভেম্বর ও ড্রাইভার আক্তার হোসেনের ভাই মুক্তার হোসেন ১৭ নভেম্বর বাদী হয়ে পৃথক দুইটি মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত ২’শ থেকে ৩’শ জনকে আসামী করা হয়। অভিযোগটি আমলে নিয়ে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ রুমনা আফরোজ ঝিনাইদহ সদর থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য আদেশ দেন।

ঝিনাইদহ সদর থানা আদালতের নির্দেশ পেয়ে ডাবল হত্যা মামলা রেকর্ড করে, যার মামলা নং ৩৭। মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতের নির্দেশে পুলিশ বৃহস্পতিবার লাশ উত্তোলন করে। এ সময় নিদের্শে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বনি আমিনসহ ডাক্তার, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। শ

হিদুল ইসলাম হিরণের ভাতিজা ও মামলার বাদী জিয়াউল আলম বলেন, আদালতে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় মামলা রুজু হয়েছে। আমরা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবি করছি।

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নিহত গাড়িচালক আক্তারের ভাই মুক্তার হোসেন ও হিরণের ভাতিজা জিয়াউল আলম বাদি হয়ে আদালতে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার দু’জনার লাশ উত্তোলন করা হয়।

তিনি বলেন, এই মামলায় অজ্ঞাত ২/৩শ’ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ