সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
নতুন বিধিমালা জারি - মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট বসানোর জটিলতা দূর ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শ্রমিক আন্দোলনকে পুঁজি করে অস্থিতিশীলতার সুযোগ নেই: মাহদী আমিন সূচকের পতনে লেনদেন শেষ বাপাজসের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হলেন নোবিপ্রবির ইফতেখার হোসাইন সিল ৫ গাড়ির মালিকদের নিয়ে বিওয়াইডি বাংলাদেশের গেট-টুগেদার ‘বাংলাদেশ বিজনেস অ্যানালাইসিস সামিট ২০২৬’: ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তিবিদদের ভার্চুয়াল ও সরাসরি মিলনমেলা স্বল্প সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাওয়ার গ্রিডের পর্ষদ সভা ৮ নভেম্বর ডেসকোর পর্ষদ সভা ৫ নভেম্বর
advertisement
আইন-আদালত

৩২ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা নেই

দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতায় আটকে থাকা দেশের প্রায় ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আর কোনো বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ রায় ঘোষণা করেন। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত থাকা প্রধান শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া পুনরায় এগিয়ে নিতে এখন আর কোনো আইনি প্রতিবন্ধকতা থাকছে না।

রায়ের পরে অ্যাটর্নি জেনারেল মো.রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, আপিল বিভাগের রায়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা কেটেছে।

তিনি বলেন, চার সদস্যের আপিল বেঞ্চ আজকে একটা রায় দিয়েছেন। এ রায়টি সরকারের পক্ষে, রাষ্ট্রের পক্ষে ঘোষিত হয়েছে। আপিলটি মঞ্জুর হয়েছে অর্থাৎ দীর্ঘদিন পর‌্যন্ত যে আমাদের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রৈ যে আইনি জটিলতা ছিল আজকের এ রায়ের মাধ্যমে সে জটিলতা দুরীভূত হলো। প্রাথমিক শিক্ষা কার‌্যক্রমে আজকের রায়টি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এর আগে এ প্রসঙ্গে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। তবে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে নিয়োগ কার্যক্রম আটকে রয়েছে।

এ জটিলতা নিরসনে সরকার কাজ করছে। আদালতে মামলা ঝুলে থাকায় এতোদিন আটকে ছিল প্রায় ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদের নিয়োগ। বছরের পর বছর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়েই কাজ চালিয়ে নিচ্ছিল বিদ্যালয়গুলো।

আজকের এ রায়ের ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আর কোনো আইনি জটিলতা থাকছে না।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ