শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

মেডিকেল শিক্ষার্থীকে গুলি:

প্রভাষক রায়হান শরীফের ২১ বছরের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালকে গুলি করে আহত করা এবং অবৈধ অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে কলেজটির কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে মোট ২১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক ও জেলা দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রফিক সরকার।

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় রায়হান শরীফকে ১৪ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, একজন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি ও মেডিকেল কলেজের শিক্ষক হয়েও রায়হান শরীফ বেআইনিভাবে বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ গুলি, ম্যাগাজিন, বিদেশি ছোরা ও চাকু নিজের কাছে রাখতেন এবং নিয়মিত কর্মস্থলে বহন করতেন। আদালত উল্লেখ করেন, এর ধারাবাহিকতায় তিনি নিরীহ শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, রায়হান শরীফ ছাত্রজীবন থেকেই সশস্ত্র ক্যাডার রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও সেই ধারা বজায় রাখেন। আদালতের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি সমাজ, পরিবার বা সহকর্মীদের ওপর সহিংস আচরণ করতেও দ্বিধাবোধ করতেন না।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় ক্লাস চলাকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন ডা. রায়হান শরীফ। এতে তমাল গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাটি দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে রায়হান শরীফকে আটক করে। এ সময় তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৮১ রাউন্ড গুলি, চারটি ম্যাগাজিন এবং দুটি অত্যাধুনিক ছোরা উদ্ধার করা হয়।

পরে সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ওয়াদুদ আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ