শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

চুরির মামলার আসামির মৃত্যু কারাগারে

নোয়াখালীর জেলা কারাগারে থাকা এক হাজতির মৃত্যু হয়েছে।  শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে, একই দিন বিকেল ৪টার দিকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় স্বজনরা চিকিৎসা অবহেলার অভিযোগ তুললেও কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, অসুস্থ হওয়ার পরপরই তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

মৃত হাজতির নাম মো. হুমায়ুন কবির ওরফে মাঈনউদ্দিন (৩৫)। তিনি জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের বগাদিয়া গ্রামের মৃত সোলেমান মিয়ার ছেলে। চুরির একটি মামলায় তিনি নোয়াখালী জেলা কারাগারে হাজতি হিসেবে আটক ছিলেন।

জানা গেছে, গত ১৯ এপ্রিল একটি চুরির মামলায় চাটখিল থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। কারাগারে নেওয়ার পর তার শরীরে আঘাতের কিছু চিহ্ন দেখতে পান সংশ্লিষ্টরা।

কারাগার সূত্র জানায়, শুক্রবার জুমার নামাজের আগে হুমায়ুন কবির হঠাৎ বুকে ব্যথা ও শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে কারা মেডিক্যালে তার প্রাথমিক পরীক্ষা ও ইসিজি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৪টার দিকে তিনি মারা যান।

মৃতের স্বজনেরা অভিযোগ করে বলেন, কারাগারে অসুস্থ হওয়ার পর যথাসময়ে উন্নত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। চিকিৎসায় অবহেলার কারণেই তার ভাগ্নের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে নোয়াখালী জেলা কারাগারের জেল সুপার আবদুল বারেক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই হাজতি বাহিরে পাবলিক এসল্টের শিকার হন। কারাগারে অসুস্থ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কারা মেডিকেলে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ইসিজি রিপোর্টে শারীরিক অবস্থা গুরুতর দেখা দিলে দ্রুত তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যা ৭টার দিকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।  

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ