শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

এসএসসি পরীক্ষায় নিজ মেয়েকে সহযোগিতা :

প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন কারাগারে

যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থী নিজ মেয়েকে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও এক কর্মচারীকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত হলেন- ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুন।

​শনিবার (৯ মে) সকালে শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে তাদের আটক করা হয় এবং রাতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

​তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুনের মেয়ে অহনা খাতুন ঝিকরগাছা উপজেলার কুলবাড়িয়া বিকেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী হিসেবে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে। সে বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল এন্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিল।

​অভিযোগ উঠেছে, গত ২৮ এপ্রিল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে তার মেয়ের উত্তরপত্রটি সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় উত্তরপত্রের ভুলগুলো সংশোধন করে পুনরায় তা জমা দেন।

​পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এবং উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান সরেজমিনে তদন্ত পরিচালনা করেন। প্রাথমিক তদন্তে জালিয়াতির প্রমাণ মেলায় তাদের দুইজনকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার একেএম নুরুজ্জামান জানান, তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের পক্ষ থেকে আমি বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছি। পরীক্ষা কেন্দ্রের পবিত্রতা রক্ষায় কোনো আপস করা হবে না।"

​শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন জানান, শুক্রবার রাতেই ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের শনিবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

​এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্রের মতো একটি সংবেদনশীল জায়গায় খোদ প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডে শিক্ষার মান ও নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ