শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গুলশান-বনানীসহ ৫ লেক রক্ষায় এসটিপি স্থাপন ও সমন্বিত পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর এসআই আলতাফ হোসেন হত্যা: জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভারতীয় হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন - ভারতে পলাতক আসামিরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে সূচকের  উত্থানে লেনদেন শেষ ইআইআইএলের চেয়ারম্যান ও পরিচালক নিয়োগ নড়াইলে যৌথ অভিযানে ইয়াবা ও নগদ টাকাসহ গ্রেপ্তার  ৩ কিশোরগঞ্জে এনআরবিসি ব্যাংকের মাসব্যাপী উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ শুরু বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট ও শ্রম ভিসা বন্ধ করলো লাওস পুলিশের ঊর্ধ্বতন ১১ কর্মকর্তাকে বদলি মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

দুর্নীতির মামলায় শাহজাদপুরের পিআইও আবুল কালাম আজাদ গ্রেফতার

জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। রোববার দিবাগত রাতে পাবনা সদর উপজেলার নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পরে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার সকালে দুদকের পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

দুদক সূত্র জানায়, ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয়। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে ২০২৪ সালের ৮ মে তার, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ৩ জুলাই তারা সম্পদ বিবরণী জমা দেন।

অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

একই মামলায় তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুনের বিরুদ্ধে স্বামীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকার সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগ আনা হয়েছে। ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নের বিরুদ্ধে বাবার অবৈধ ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার সম্পদ ভোগদখলের অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের অনুসন্ধানে আবুল কালাম আজাদের শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের নামেও অস্বাভাবিক সম্পদের তথ্য উঠে আসে। এ প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর তার কাছে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ দেওয়া হয়। ৮ ডিসেম্বর জমা দেওয়া বিবরণীতে তিনি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য দিলেও অনুসন্ধানে ঘোষিত তথ্যের সঙ্গে অসঙ্গতি পাওয়া যায়। পরে ২০২৫ সালের ২৩ অক্টোবর জামাল উদ্দিন ফকিরকে প্রধান আসামি করে এবং আবুল কালাম আজাদকে দ্বিতীয় আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম জানান, দুদকের একটি বিশেষ অভিযানে গ্রেফতারের পর আবুল কালাম আজাদকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সোমবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ