সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
আন্তর্জাতিক

সিঙ্গাপুরের নাগরিক দাবি করে সুরক্ষা চাইলেন এস আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বাংলাদেশ ব্যাংক এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে যে ‘ভীতি প্রদর্শনমূলক ব্যবস্থা’ গ্রহণ করছে এর বিপরীতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ চুক্তি ও সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে তার সুরক্ষা পাওয়া প্রাপ্য বলে দাবি করেছেন কোম্পানিটির কর্ণধার সাইফুল আলম।

মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের পক্ষে আইনজীবীরা একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান মনসুরকে সতর্ক করে বলা হয়েছে তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিসি প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আহসান মনসুর অভিযোগ করে বলেন, শেখ হাসিনা সরকারের সময় এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছে। মূলত ওই সাক্ষাৎকারের পরিপ্রেক্ষিতে এস আলম পরিবারের পক্ষে এই চিঠি দিয়েছে আইনি প্রতিষ্ঠান কুইন ইমানুয়েল উর্কুহার্ট অ্যান্ড সালিভান।

এই চিঠির একটি কপি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের কাছে এসেছে। এতে অভিযোগ করা হয় যে গভর্নর আহসান মনসুর এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ভিত্তিহীন ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। তার এসব বক্তব্য এস আলম গ্রুপের জন্য ভীতি প্রদর্শনমূলক বলে অভিহিত করা হয়। বাংলাদেশে কোম্পানিটিতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ২ লাখ লোক চাকরি করে বলেও দাবি করা হয়।

মনসুর গত মাসে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, সাইফুল আলম ও তার সহযোগীরা সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের সহায়তায় নেতৃস্থানীয় ব্যাংকগুলো দখল করার পর অর্থ পাচার করেছে। এটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে ব্যাংক ডাকাতির সবচেয়ে বড় ঘটনা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চিঠিতে বলা হয়েছে, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে আনা এসব অভিযোগ ভুল ও মানহানিকর।

অন্যদিকে সাইফুল আলম কবে সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব পেয়েছেন, সে বিষয়ে আইনি প্রতিষ্ঠানের কাছে ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানতে চাইলে তারা সাড়া দেয়নি। তারা এখনো বাংলাদেশের নাগরিক কি না, তাও জানা যায়নি। সিঙ্গাপুর সরকারও ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের কাছে এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করেনি।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ