বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
এমপি গাজী নজরুলের বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে ইসি দেশে ৩ লাখ ৪৪ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রণালয় ইসলামী ব্যাংকের ‘গ্রাহক সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত আগামী ২৯ জুলাই মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের পর্ষদ সভা ৭২টি পদে ৬৪৭ জনকে নিয়োগ দেবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ প্রেমিকাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মিস্টার বিস্ট নৈতিক স্খলন প্রমাণিত - জামায়াত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার আইএফআইসি ব্যাংক ও অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এলএল.বি ফল-২০২৬ ব্যাচের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত
advertisement
আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লি, ১৬ মেট্রো স্টেশন বন্ধ ঘোষণা

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টির’ (সিজেপি) চলমান ছাত্র ও যুব বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে দিল্লির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তের ফলে ট্রেনের রুট পরিবর্তন ও বিকল্প পথ খোঁজা নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি ও দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দিল্লি মেট্রো রেল করপোরেশন (ডিএমআরসি) জানায়, ব্লু, ইয়োলো এবং ভায়োলেট লাইনসহ বিভিন্ন রুটের ১৬টি মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও বাহির পথ (গেট) নিরাপত্তা জনিত কারণে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 

বন্ধ হওয়া ১৬টি স্টেশন হলো : লোক কল্যাণ মার্গ, রাজীব চক, প্যাটেল চক, রামকৃষ্ণ আশ্রম মার্গ, বারখাম্বা রোড, সুপ্রিম কোর্ট, সেবা তীর্থ, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, আইটিও, দিল্লি গেট, ইন্দ্রপ্রস্থ, খান মার্কেট, জোর বাগ এবং শিবাজি স্টেডিয়াম। 

ডিএমআরসি-র পক্ষ থেকে স্টেশনগুলো পুনরায় চালুর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা জানানো হয়নি। তবে রাজীব চক, মান্ডি হাউস এবং সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট স্টেশনে যাত্রীদের জন্য ট্রেন পরিবর্তনের (ইন্টারচেঞ্জ) সুবিধা চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

ডিএমআরসি সময়মতো রুট পরিবর্তনের তথ্য প্রচার করলেও ব্যস্ত সময়ে আকস্মিক এই বন্ধের ফলে স্টেশনগুলোতে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র প্রতিনিধি জানান, এই লাইনেরই অন্তত ৬টি স্টেশনের গেট সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ট্রেনগুলো প্রতিটি স্টেশনে থামছে ও ভেতরের দরজাও খুলছে, কিন্তু যাত্রীরা যখন স্টেশন থেকে বের হতে যাচ্ছেন, তখনই পুলিশি ব্যারিকেড ও বিপুল নিরাপত্তার মুখোমুখি হচ্ছেন। 

মান্ডি হাউস স্টেশনের বাইরে ও ভেতরে আটকা পড়া যাত্রীদের গেট খোলার অপেক্ষায় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে, যার ফলে পুলিশের সঙ্গে অনেকের বাগ্বিতণ্ডাও ঘটে।

এক ভুক্তভোগী যাত্রী জানান, তাঁর গন্তব্য মান্ডি হাউস বন্ধ থাকায় এবং এর আগের ও পরের ৫টি স্টেশনও অবরুদ্ধ থাকায় তিনি বাধ্য হয়ে বিকল্প স্টেশনে নেমে অফিসে পৌঁছানোর জন্য বাইক ট্যাক্সি বুক করেছেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোর বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ