রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
গৌরীপুরে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার রামিসা হত্যার মতো অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ মানবতাবিরোধী অপরাধ - ইনুর ১০ বছরের সাজা: প্রকাশ হলো ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ চাকরি নিয়ে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ ইত্যাদি এবার নকশিকাঁথার জামালপুরে ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ অপ্রতিম হত্যা - আটক কিশোরের বাসা থেকে সেই আইফোন উদ্ধার এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আফগানিস্তান সিরিজে বাংলাদেশ টেস্ট দল ঘোষণা, ফিরলেন হৃদয়-জাকের আলী
advertisement
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় বিমান বিধ্বস্ত

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ভারতের আসাম রাজ্যে ভারতীয় বিমান বাহিনীর একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দেশটির আসাম রাজ্যের জোরহাট বিমান ঘাঁটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। 

বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি আন্তোনভ এএন-৩২ মডেলের। যা ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান ভরসা বা ওয়ার্কহর্স হিসেবে পরিচিত। 

প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অবতরণের সময় বিমান বাহিনী স্টেশন চত্বরের ভেতরেই এএন-৩২ বিমানটি আছড়ে পড়ে। এ সময় বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে জরুরি উদ্ধারকারী বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ এবং হতাহতের বিষয়ে কোনো তথ্য জানাতে পারেনি এনডিটিভি। তবে ভারতীয় বিমানবাহিনীও ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তারা জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বিমানবাহিনী। 

ভারতীয় বিমানবাহিনীর অন্যতম প্রধান ভরসার এই বিমানটি মূলত ভারতের বিশেষ প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে তৈরি করা হয়েছিল। বর্তমানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর বহরে এ ধরনের প্রায় ১০০টি বিমান রয়েছে।

এএন-৩২ বিমান প্রতিকূল পরিবেশে, বিশেষ করে অত্যন্ত উঁচু বিমানঘাঁটি এবং উষ্ণ ক্রান্তীয় আবহাওয়ায় উড্ডয়ন করতে পারে। এটি সর্বোচ্চ ৭ দশমিক ৫ টন মালামাল, ৫০ জন যাত্রী অথবা ৪২ জন প্যারাট্রুপার বহন করতে পারে। দুর্গম এলাকায় রসদ সরবরাহের জন্য এ ধরনের বিমান ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

এর আগে গত মার্চে আসামের কার্বি আংলং জেলায় সুখোই এসইউ-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। এ ঘটনায় বিমানের দুজন পাইলট নিহত হয়েছিলেন। 

গত ৫ মার্চ জোরহাট বিমান বাহিনী স্টেশন থেকে নিয়মিত উড্ডয়নের পর সন্ধ্যা ৭টা ৪২ মিনিটে কন্ট্রোলরুমের সঙ্গে বিমানটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর বিমানটির সঙ্গে আর কোনোভাবে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। 

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিমানটি শেষ পর্যন্ত জোরহাট থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কার্বি আংলং জেলার একটি দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিধ্বস্ত হয়েছিল। সূত্র-এনডিটিভি। 

 

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ