রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম
ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন পরিদর্শন করেছেন জহির হোসেন স্পারসোকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ছড়ানোর নতুন কৌশল শনাক্ত: ক্যাসপারস্কি রহিমআফরোজ ডিস্ট্রিবিউশনের নতুন RZ Solar IPS উন্মোচন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে ওরিয়েন্টশন ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ - চূড়ান্ত হলো শেষ ৩২-এর সূচি: জেনে নিন কার প্রতিপক্ষ কে? সংসদে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব ব্যারিস্টার খোকনের পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন হলে ২৬ জেলার ১৬৩ উপজেলা উপকৃত হবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী যমুনা অয়েলে চেয়ারম্যান নিয়োগ পাওনা টাকা আদায়ে অটোরিকশাচালককে শিকলে বেঁধে নির্যাতন
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

৬ মাসে বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : দেশের ব্যাংক খাতে এখন বড় সমস্যা খেলাপি ঋণ। ডিসেম্বর শেষে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ছিল ৫৬ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকা। জুন শেষে এসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে বেসরকারি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়েছে ১৭ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়েছিল ৯ হাজার ৪৫১ কোটি টাকা। এর পরের তিন মাসে বেড়েছে ৭ হাজার ৭৪৬ কোটি টাকা। এর ফলে জুন শেষে খেলাপি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকায়।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, রাষ্ট্রয়াত্ত ও বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। খেলাপি এখন একধরনের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। ঋণ নেওয়ার সময়েই অনেকের ইচ্ছে থাকে পরিশোধ না করার। ব্যাংক খাত থেকে ঋণ নিয়ে অনেকেই খুব সহজে পার পেয়ে যাচ্ছে। অনিয়মের মাধ্যমে অনেক ঋণ বের হয়। এধরনের ব্যাংকে জবাবদিহিতার কোনো যায়গা নেই।

তথ্য অনুযায়ী, জুন শেষে ব্যাংক খাতের মোট খেলাপি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৭৪ হাজার ৭৫৪ কোটি টাকা খেলাপি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে। আর বেসরকারি ব্যাংকে রয়েছে ৭৩ হাজার ৬৩৫ কোটি টাকা। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকগুলোতে ৩ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা এবং বিশেষায়িত ব্যাংকে ৪ হাজার ৪৫৩ কোটি টাকা খেলাপি রয়েছে।

খেলাপি ঋণ কমিয়ে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। খেলাপির সমস্যায় থাকা ব্যাংকগুলোর সাথে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এছাড়া সংকট মোকাবেলায় তারা বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ পরিদর্শন জোরদার করে নিয়মনীতিকে আরও শক্তিশালী করেছে বলেও এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

এছাড়া, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রম্পট কারেকশন অ্যাকশন (পিসিএ) সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি করা বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এই নির্দেশিকার জারি হলে, বাংলাদেশ ব্যাংক দুর্বল ব্যাংকগুলোকে ঘিরে দ্রুত সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ