রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম
গোলশূন্য ড্র - তবুও গ্রুপ সেরা কলম্বিয়া, রানার্স-আপ পর্তুগাল বদলি নেমে মেসির চমক, জর্ডানকে উড়িয়ে গ্রুপ সেরা আর্জেন্টিনা ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: - সন্দেহভাজনের ফেসবুক পোস্ট ঘিরে নতুন আলোচনা ইতালিতে ট্রিপল মার্ডার: এখনো মা জানেন না তার একমাত্র ছেলে বেঁচে নেই বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য পাচার : আনসার সদস্যসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা ডা. আব্দুল্লাহর ইমেরিটাস নিয়োগ বিধি-বহির্ভূত ও বেআইনি: বিএমইউ পরকীয়ার জেরে ইতালিতে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ, সন্দেহভাজনের খোঁজে পুলিশ এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ আইসিএসবি'র ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ধূমপান নিয়ে বিরোধ, ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে আহত ৬
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৬ শতাংশ: আইএমএফ

অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক : চলতি বছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হতে পারে। এ ছাড়া চলতি হিসাবে ভারসাম্যে ঘাটতি অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।

বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক বৈঠকে প্রকাশিত আইএমএফের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাসে এ কথা জানিয়েছে। তাদের পূর্বাভাস বলছে, ২০২৪ সালেও বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হবে, তবে ২০২৮ সালে প্রবৃদ্ধির হার বেড়ে ৭ শতাংশে উন্নীত হবে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) জানিয়েছিল, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.৫ শতাংশ। অন্যদিকে সম্প্রতি বিশ্বব্যাংক বলেছে, চলতি অর্থবছর জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫.৬ শতাংশ।

চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য সরকার সাড়ে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সরকারের লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে উন্নয়ন সংস্থাগুলোর পূর্বাভাসের বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যাচ্ছে।

প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি আইএমএফ জানিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা ৭.৯ শতাংশ এবং ২০২৮ সালে তা ৫.৫ শতাংশে নামতে পারে।

এ ছাড়া চলতি হিসাবে ভারসাম্যে ঘাটতি অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। তারা বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে চলতি হিসাবের ঘাটতি জিডিপির শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ হতে পারে।

আইএমএফের প্রতিবেদনে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলা হয়েছে। সংস্থাটি বলেছে, মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিজনিত সংকট থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছে বিশ্ব অর্থনীতি। যুদ্ধের কারণে খাদ্য ও জ্বালানি বাজার বিঘ্নিত হয়েছে; সেই সঙ্গে উচ্চ মূল্যস্ফীতির রাশ টানতে নীতি সুদহার অভূতপূর্ব হারে বাড়ানো হয়েছে—এসব কারণে বিশ্ব অর্থনীতি গতি হারালেও থমকে যায়নি।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ