রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম
পরকীয়ার জেরে ইতালিতে স্বামী-স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার অভিযোগ, সন্দেহভাজনের খোঁজে পুলিশ এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ আইসিএসবি'র ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ধূমপান নিয়ে বিরোধ, ছাত্রলীগ নেতার গুলিতে আহত ৬ বিয়েতে ১০০ জনের বেশি অতিথি হলে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা করের প্রস্তাব ইতালিতে নিহত প্রবাসীর পরিবারকে আগে দেওয়া হয়েছিল ‘হত্যার হুমকি’ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃত্যু ৯০০ ছাড়িয়েছে বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক প্রিমিয়ার ব্যাংকের “সাব-ব্রাঞ্চ বিজনেস পারফরম্যান্স রিভিউ মিটিং-২০২৬” অনুষ্ঠিত ঢাকায় আসছেন আতিফ আসলাম
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

প্রকৃত রিজার্ভের পরিমান জানালো বাংলাদেশ ব্যাংক

অর্থ-বাণিজ্য: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মেনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই হিসাবে দেশের রিজার্ভ এখন ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার।

রোরবার (১ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, চলতি মাসের মাঝামাঝিতে অর্থাৎ গত ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

আইএমএফের পদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, সবশেষ ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের প্রকৃত রিজার্ভ দাঁড়ায় ২১ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারে। এ দিয়ে সাড়ে ৩ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। 

একই সময়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে বিদেশি মুদ্রার সঞ্চায়নের পরিমাণ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই হিসাব অনুযায়ী, এখন দেশের রিজার্ভ ২৭ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গত ১৭ সেপ্টেম্বর যা ছিল ২৭ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার।

সাধারণত, প্রতি মাসে গড়ে বিদেশ থেকে পণ্য কেনার জন্য ৬ বিলিয়ন ডলার খরচ করা হয়। সেই হিসাবে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় প্রায় ৪ মাসের মতো আমদানি খরচ মেটাতে পারবে বাংলাদেশ। 

বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে রিজার্ভ গণনায় আইএমএফের ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম ৬) পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

সারা বিশ্বে বহুল প্রচলিত কাঠামো অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক গঠিত বিভিন্ন তহবিলের অর্থ রিজার্ভের বাইরে রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিমানের জন্য প্রদত্ত ঋণ গ্যারান্টি, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে মুদ্রা বিনিময় এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষকে দেয়া ঋণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

এছাড়া ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আমানত এবং নির্দিষ্ট গ্রেডের নিচে থাকা সিকিউরিটিতে বিনিয়োগও বাদ দেয়া হয়েছে। এসব খাতে প্রদত্ত ৫৯০ কোটি ডলার রিজার্ভ গণনায়  হিসাবে নেয়া হয়নি।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলেন, নিয়মিত এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) আমদানি বিল পরিশোধ করছে বাংলাদেশ। পাশাপাশি রেমিট্যান্স প্রবাহ কমে গেছে। ফলে রিজার্ভ কমছেই।

কর্পোরেট সংবাদ/এএইচ

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ