রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
পিক্সেল থেকে পার্সপেক্টিভ - তরুণ ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের একত্রিত করতে হাত মেলালো অপো-বিইউপি মানিকগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ ৮ দফা না মানলে ১ দফার আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের শাখাগুলো নিয়ে স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত এনসিসি ব্যাংক ও মেটলাইফ বাংলাদেশের গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন - জাতীয় গ্রিডে মিলবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সব জেলা পরিষদে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ সরকারের বেনাপোলে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ  গড়তে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ, ৩ মাসে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ
advertisement
অর্থ-বাণিজ্য

অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংকের ৩ কর্মকর্তাসহ ৪ জনের কারাদণ্ড

কর্পোরট সংবাদ ডেস্ক: ২৬ বছর আগে চার কোটি ২০ লাখ টাকা অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংকের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ চার জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালত এ রায় দেন।

দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন, সোনালী ব্যাংকের বায়তুল মোকাররম শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার আজহার হোসেন ও জহিরুল হক চৌধুরী, ক্যাশ অফিসার নাজিম উদ্দিন এবং জনৈক মানিক মিয়া। এদের মধ্যে চার জনকে এক ধারায় পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং সাড়ে ৬ কোটি টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায়ে আরেক ধারায় আসামি নাজিম উদ্দিন, জহিরুল হক ও আজহার হোসেনের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রায়ে আদালত আগামী ৩০ আগস্টের মধ্যে অর্থদণ্ডের টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাংলাদেশ ব্যাংকের চালানের মাধ্যমে জমা না দিলে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ থেকে আদায় করতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আসামিদের মধ্যে নাজিম উদ্দিন ও মানিক মিয়া রায় ঘোষণার সময় আদালতে হাজির ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠান হয়েছে। অপর দুই আসামি পলাতক রয়েছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৯৯৮ সালের ১ এপ্রিল সোনালী ব্যাংকের বায়তুল মোকাররম শাখার সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক এ এস এম আব্দুল মতিন আনসারী মতিঝিল থানায় মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা ১৯৯৮ সালের ৩১ মার্চ যে কোনো সময় বা এর আগে আসামিরা চার কোটি ২০ লাখ ৭ হাজার ৪২০ টাকা আত্মসাৎ করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০০৯ সালের ২১ জুন দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কাশেম আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০১০ সালের ২৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ