শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
শিরোনাম
বিদ্যুতের দাম বাড়লেও স্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত: - আগের দামেই থাকছে লাইফলাইন ও প্রথম ধাপ: বিইআরসি শেয়ারহোল্ডারদের সর্বসম্মত অনুমোদন: - ওয়ালটন হাই-টেকের সঙ্গে ডিজি-টেকের একীভূতকরণ চূড়ান্ত পর্যায়ে বেনাপোল-শার্শায়  চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের আগুনে ২১ জনের মৃত্যু : - নয়াদিল্লিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হোটেল মালিক গ্রেফতার এনআরবিসি ব্যাংকে মাসব্যাপী উদ্যোক্তা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু: - তদন্তে চরম অবহেলার প্রমাণ, আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা বন্ধ ও অলাভজনক সরকারি কারখানা চালু করতে শিগগিরই রোড শো মমেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু পুঁজিবাজারে সূচকের উত্থান, বেড়েছে লেনদেন ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী খুন, অভিযোগ জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে
advertisement
সারাদেশ

ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে বিএনপি কর্মী খুন, অভিযোগ জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে

ময়মনসিংহ নগরে নির্বাচনী বিরোধের জেরে বিএনপির এক কর্মীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও পাঁচজন।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকাল ৫টার দিকে নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের চর ঈশ্বরদিয়া মধ্যপাড়া গ্রামের গাঙ্গের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম।

নিহত রানা মিয়া (২৮) একই এলাকার প্রয়াত শরাফ উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। রানা বিএনপির কর্মী ছিলেন বলে দাবি স্বজনদের।

আহতরা হলেন- একই এলাকার আশাদ (৩৬), মোফাজ্জল (৩৫), শাহান (৪৫), মুনসুর আলী (৫০), শাকিল (৩০) এবং দিনি মিয়া (৩৫)। তারা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। 

রানার স্বজন মাহাবুল বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আমরা বিএনপির পক্ষে কাজ করেছি ও ধানের শীষে ভোট দিয়েছি। এরপর থেকে ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য মফিদুল ইসলাম মাস্টারের ছেলে মাহিনের সঙ্গে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (১ জুন) মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা ফুটবল খেলা শেষে আমাদের বাড়ির সামনে দোকানে কোমল পানিও কিনতে আসে। এ সময় এক কাউন্সিলর প্রার্থীর পক্ষে কোমল পানিও খাচ্ছে বলে রানা মিয়ার পক্ষের লোকজন তাদের কটু কথা বলেন। এতে মফিদুল মাস্টারের বাড়ির লোকজন ভোটের জেদ মেটাতে মারধরের হুমকি দিয়ে চলে যান। এ ঘটনার পর রাতে মফিদুল মাস্টারের বাড়ির ছেলেরা আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। পরে মফিদুল মাস্টার নিজে আমাদের বাড়িতে এসে বিষয়টি মীমাংসা করে চলে যান।

মাহাবুল আরও বলেন, এদিন বিকালে মফিদুল মাস্টার অন্তত ৫০ থেকে ৬০ জন লোক নিয়ে এসে হামলা চালায়। হামলার সময় মাহিন ছুরি দিয়ে রানার বুকের পাশে আঘাত করেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হন আরও পাঁচজন।

পরে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রানাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান তিনি।

রানার ভাই তোফাজ্জল হোসেন বলেন, তার ভাইকে বিনা কারণে বুকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। হত্যাকারীদের ফাঁসি চেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত নেতা মফিদুল ইসলাম মাস্টার বলেন, আমি বা আমার ছেলে ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না। আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

ওসি শিবিরুল ইসলাম বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ