বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমনি বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতায় সমঝোতা স্মারক সই ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি ঘোষণা চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বাংলা কিউআরে লেনদেন বেড়েছে ৪ গুণ দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম আইসিএপিপির ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে সিউলে পৌঁছেছে বিএনপির প্রতিনিধি দল বাগেরহাটের মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি
advertisement
খেলাধুলা

২৮০ রানে শেষ শ্রীলঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক: সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে টস জিতে আগে শ্রীলঙ্কাকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৬৮ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করতে পারে সফরকারীরা। ২৮০ রানে সবগুলো উইকেট হারিয়েছে তারা।

নিজের প্রথম ওভারের শেষ বলে গিয়ে উইকেট এনে দেন খালেদ। অফ স্টাম্প থেকে বেশ দূরের বলে ড্রাইভ করতে যান নিশান মাদুশকা। তৃতীয় স্লিপে বেশ জোরে যাওয়া বল ক্যাচ ধরেন মিরাজ।

দ্বিতীয় উইকেটের জন্য অবশ্য কিছুটা অপেক্ষা ছিল বাংলাদেশের। ১২তম ওভারে গিয়ে কুশল মেন্ডিসকে ফেরান খালেদ। ২৬ বলে ১৬ রান করে দেরিতে কাট করতে গিয়ে গালিতে দাঁড়ানো জাকির হাসানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। ৫৭ বলে মেন্ডিসের সঙ্গে ৩৭ রানের জুটি ভেঙে যায় দিমুথ করুণারত্নের।

ওই ওভারেই করুণারত্নেকেও ফেরান খালেদ। ৩৭ বলে ১৭ রান করা এই ব্যাটারকে দুর্দান্ত এক বলে বোল্ড করেন খালেদ। অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢুকে বলটি। তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া শ্রীলঙ্কা আরও বেশি বিপদে পড়ে অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস রান আউট হলে।

খালেদের বলে অফ সাইডে ফেলে দৌড় শুরু করেন দিনেশ চান্দিমাল। কিন্তু দৌড়ের সময় কিছুটা অলস ছিলেন ম্যাথিউস। নাজমুল হোসেন শান্তর সরাসরি থ্রোতে স্টাম্প ভাঙে তার। এরপর চান্দিমালকেও ফিরিয়ে দেন শরিফুল। লেগ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ১৩ বলে ৯ রান করে ফেরেন চান্দিমাল। ৫৭ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। এরপর উইকেটে এসে প্রথম বলেই জীবন পেয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। স্লিপে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন মাহমুদুল হাসান জয়।

পরে এজন্য ভুগতে হয়েছে বাংলাদেশকে। আশির উপর স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করে ২৪৫ বলে ২০২ রানের জুটি গড়েন কামিন্দু-ধনঞ্জয়া। ৫৭তম ওভারে এসে কামিন্দুকে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের ক্যাচে পরিণত করেন নাহিদ। ১২৭ বলে ১১ চার ও ৩ ছক্কায় ১০২ রানে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটি সাজান কামিন্দু।

এরপর সেঞ্চুরি তুলে নেন ধনঞ্জয়াও। লঙ্কান অধিনায়ক অবশ্য তাইজুলের এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েছিলেন। কিন্তু বাংলাদেশের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় রিভিউ নিলে ৯৫ রানেই সাজঘরে ফিরতেন ধনঞ্জয়া। ১১তম সেঞ্চুরির পর অবশ্য খুব বেশিক্ষণ টেকেননি। নাহিদকে পুল করতে গিয়ে স্কয়ার লেগে থাকা মিরাজের হাতে ধরা পড়েন তিনি। সাজঘরে ফেরেন ১৩২ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ১০২ রান করে।

কিছুক্ষণ পর আরও একটি উইকেট নেন রানা। তার দ্রুতগতির বল উইকেটরক্ষকের হাতে তুলে দিয়ে বিদায় নেন প্রবাথ জয়াসুরিয়া। বিশ্ব ফার্নান্দো কিছুক্ষণ প্রতিরোধ করলেও ৯ রানে তাইজুলের শিকার হন। এরপর লাহিরু কুমারা রান আউট হলে লঙ্কানদের প্রথম ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ