রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
শিরোনাম
ঢাকায় নতুন বিভাগীয় কমিশনার, সিলেট ও কুমিল্লায় নতুন ডিসি নিয়োগ বর্তমান প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ, উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রস্তুত হও: প্রধানমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ আর্জেন্টিনা ভক্ত আজাদ মেম্বারের শেষ ঠিকানা কারাগার ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২৪ - ক্রিকেটার তাসকিন-অভিনেত্রী মিমের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটালেন ওয়ালটন ফ্রিজ ও এসির ২৪ ক্রেতা সাতক্ষীরা সীমান্তে বিজিবির জব্দ করা প্রায় ৭৪ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস এনআরবিসি ব্যাংকে এমএসএমই উদ্যোক্তা মেলা ও পণ্য প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব চীনা ১২ প্রতিষ্ঠানের সূচকের বড় উত্থানে বেড়েছে লেনদেন ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১,৪৩০
advertisement
শেয়ারবাজার

শেয়ার কারসাজি: ডিএসইর পরিচালকের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ

পুঁজিবাজার ডেস্ক: শেয়ার কারসাজির অভিযোগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) স্বতন্ত্র পরিচালক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলা হয়েছে। একইসঙ্গে তদন্তকালীন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদকে ডিএসইর পরিচালকের দায়িত্ব পালন না করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো হয়।

‘ডিএসইর পরিচালকই শেয়ার কারসাজিতে, রক্ষকই যখন ভক্ষক’ শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে সম্প্রতি সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ ডিএসইর পরিচালক পদে থাকার কারণে কোম্পানির গোপন সংবাদের সুযোগ কাজে লাগিয়ে পুঁজিবাজারে আস্থার সংকট তৈরি করেছেন এবং এর ফলে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। সেই সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে এ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘ডিএসইর পরিচালকই শেয়ার কারসাজিতে, রক্ষকই যখন ভক্ষক’ শিরোনামের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালী সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বিধি লঙ্ঘন করে কারসাজির মাধ্যমে ৩টি বিও অ্যাকাউন্টে ১৩ কোটি ১৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন করেছেন।’

আর তিনি এর মাধ্যমে তিনটি অপরাধ করেছেন মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ স্টক এক্সচেঞ্জের পর্ষদে থেকে বে-আইনি এবং অনৈতিকভাবে শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন। দ্বিতীয়, কারসাজির কারণে যেসব কোম্পানিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, এর অধিকাংশের শেয়ার লেনদেন করে সুবিধা নিয়েছেন এবং তৃতীয় হলো, নিয়ন্ত্রক সংস্থার সহায়তায় পর্ষদ ভেঙে যেসব কোম্পানি দখল করা হয়েছে, এর সবকটি থেকেই তিনি আগাম তথ্য জেনে শেয়ার লেনদেন করে লাভবান হয়েছেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ