সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
দ্বিতীয় স্ত্রীর আত্মহত্যা - এমপি গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী রিমান্ডে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ অব্যবহৃত পড়ে থাকা ২৪টি ট্রমা সেন্টার দ্রুত চালুর উদ্যোগ: থাকছে ২৪ ঘণ্টার অ্যাম্বুলেন্স নেটওয়ার্কও ‘হজ এজেন্ট কাফেলা কার্ড’ চালু করেছে ইসলামী ব্যাংক ২৮ বছর পর আবার আসছে ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ - ইউনিয়ন পরিষদ পেল ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৭ দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-খুলনা  বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২৮ সেপ্টেম্বর তাল্লু স্পিনিংয়ের বোর্ড সভা
advertisement
রাজনীতি

জয় বাংলা স্লোগান মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা: খাদ্যমন্ত্রী

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক: জয় বাংলা স্লোগানকে মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা বলে উল্লেখ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। নওগাঁ সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আজ বৃহস্পতিবার সকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগানকে মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণা। ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করেছেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৭ মার্চের ভাষণে জাতির জন্য স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা দিয়েছেন জাতির পিতা। এমন একটি ভাষণ এটি, যেখানে বঙ্গবন্ধু এক কথা দুইবার উচ্চারণ করেননি। অথচ সব দিকনির্দেশনা সেখানে ছিল।’

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ৭ মার্চের ভাষণ প্রদানে বঙ্গবন্ধুকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন উল্লেখ করে সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন, ‘আওয়ামী লীগের তখনকার অনেক কেন্দ্রীয় নেতা বঙ্গবন্ধুকে বলেছিলেন আপনার বক্তৃতায় এটা বলবেন ওটা বলবেন। বঙ্গমাতা জাতির পিতাকে বলেছিলেন– আপনি (বঙ্গবন্ধু) আপনার মনের কথা কথা বলবেন।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাঙালি জাতি সেদিন বঙ্গবন্ধুর কথা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনেছিল। তাঁর নির্দেশনা মেনে স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতা এনেছিল। দীর্ঘদিন বাংলাদেশের মানুষকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনতে বাধা দেওয়া হয়েছে। কেউ মাইকে এটি বাজালে তাকে অত্যাচার করা হয়েছে। সেই ভাষণ এখন আমাদের গর্বের বিষয়। ইউনেস্কো এটাকে বিশ্বের সবচেয়ে অনুপ্রেরণাদায়ী ভাষণ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে।’

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মিল্টন চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন– পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রাশিদুল হক, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. রফিকুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন, সাবেক অধ্যক্ষ মো. শরিফুল ইসলাম খান,সাবেক ডেপুটি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মো. আফজাল হোসেন এবং নওগাঁ জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আবু বক্কার সিদ্দিক।

এ সময় খাদ্যমন্ত্রী ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও সনদ তুলে দেন। এর আগে খাদ্যমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ