বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের পাওয়ার্ড বাই স্পন্সর ওয়ালটন ফ্যান করপোরেট গভর্ন্যান্স অডিটে অস্বাস্থ্যকর ফি প্রতিযোগিতা - ফি নির্ধারণে নীতিমালা জরুরি, কম ফি নয়-মানসম্মত নিরীক্ষাই হোক প্রতিযোগিতার ভিত্তি একনেকে ৫৮ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা স্ন্যাপড্রাগন প্রসেসরসহ রেডমি ১৭ ফাইভজি উন্মোচন করল শাওমি পুঁজিবাজারে বন্ধ বিও হিসাব চালুর সিদ্ধান্তকে বিএসইসিকে ধন্যবাদ জানাল ডিবিএ ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্ত পে’ চালু করল বাংলালিংক সিরাজগঞ্জে ১০৩টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ইসলামী ব্যাংকের ৩টি নতুন বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব উদ্বোধন বাংলাদেশ ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর
advertisement
রাজনীতি

এমপি পদকে ডিভোর্স দিতে রাজি ফুটবল ছাড়বেন না: সুমন

তিমির বনিক, স্টাফ রিপোর্টার: ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমন এমপি বলেছেন, ‘ভিংরাজ মেম্বারের কোনো দোষ নাই, দোষ হলো টিপাটিপির (অর্থ)। আমার প্রতিপক্ষরা বলেছিল আমি এমপি হতে পারব না, অথচ এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে আমি এমপি হয়ে দেখিয়ে দিয়েছি আমিও পারি। নির্বাচনে উপর থেকে তাবিজ মারা হয়েছে। আমি নির্বাচিত না হলে ভালো মানুষের দাম থাকতো না।’

তিনি শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার রত্না চা-বাগান ফুটবল মাঠে প্রভাতী ক্রীড়া চক্র রত্না বনাম ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন ফুটবল একাডেমির মধ্যকার প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলা শেষে দর্শকের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ছাত্ররা পড়ালেখা করো, মা-বাবার সেবা করে যাও। তোমাদের এলাকায় কোনো দুর্নীতির খবর পেলে, রাস্তায় পাতলা কাম হলে তোমাদের এমপি’কে ম্যানশন করে ফেইসবুকে লেখবেন রাস্তায় কাটিং কাটং চলছে, আমাকে সিসি দিবেন। তখন এমপি সাব সাটিং সাটিং দিয়া দিবেন। চুর চুট্টার কারণে এ দেশ এগুচ্ছে না। আমি চুনারুঘাট-মাধবপুরের এমপি। কিন্তু ফুটবলের বিষয়ে আমি যেকোনো জায়গায় হাজির। আমার প্রতিপক্ষরা বলেছিল আমি এমপি হলে আর ফুটবল খেলবো না। তাদের চোঁখে ধুলো দিয়ে নির্বাচনের পর এই প্রথম জুড়ীতে ফুটবল খেলতে আসলাম। আমার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এক হাজার ফুটবল আনবো। এর মধ্য থেকে জুড়ীতে দুই’শ ফুটবল দেবো।’ প্রীতি ম্যাচটি গোল শূন্য ড্র হয়।

খেলা উপলক্ষে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে মাঠের চারিদিকে জড়ো হন। গাছের ডালে, বিদ্যালয়ের ছাদে তিল ধারণের ঠাই ছিল না। চারিদিকে জড়ো হন শুধু মাত্র শরীর থেকে কলিজা বড় মানুষটিকে এক ঝলক দেখার আগ্রহ নিয়ে। গাছের ডালে, বিদ্যালয়ের ছাদে তিল ধারণের ঠাই ছিল না।

▐ সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ