রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
পিক্সেল থেকে পার্সপেক্টিভ - তরুণ ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের একত্রিত করতে হাত মেলালো অপো-বিইউপি মানিকগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ ৮ দফা না মানলে ১ দফার আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের শাখাগুলো নিয়ে স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত এনসিসি ব্যাংক ও মেটলাইফ বাংলাদেশের গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন - জাতীয় গ্রিডে মিলবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সব জেলা পরিষদে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ সরকারের বেনাপোলে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ  গড়তে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ, ৩ মাসে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ
advertisement
রাজনীতি

জামানত হারাচ্ছেন শাহ আবু জাফর

নিজস্ব প্রতিবেদক: দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর ৪ সংসদীয় আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ২১ জন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফরসহ মোট ১৩ প্রার্থী জামানত হারাচ্ছেন। অর্থাৎ, নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রায় ৬২ ভাগ প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ পাননি।

ফরিদপুর-১ (বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা, মধুখালী) আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫১৫টি। জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত ভোটের ৮ ভাগের ১ ভাগ হিসাবে ২৯ হাজার ৬৮৯ ভোটের কম যাঁরা পেয়েছেন, তাঁরা জামানত হারাচ্ছেন।

ফরিদপুর-১ আসনে প্রার্থী ছিলেন পাঁচজন। তাঁদের মধ্যে তিনজন জামানত হারাচ্ছেন। তাঁরা হলেন বিএনএম প্রার্থী শাহ মো. আবু জাফর, জাতীয় পার্টির মো. আক্তারজ্জামান খান ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মো. নুর ইসলাম সিকদার। শাহ মো. আবু জাফর ভোট পেয়েছেন ২২ হাজার ৪৬৫টি, মো. আক্তারজ্জামান খান পেয়েছেন ১ হাজার ৩৫৯ এবং নুর ইসলাম সিকদার পেয়েছেন ১ হাজার ৮৮৯ ভোট।

শাহ আবু জাফর বিএনপির নেতা ছিলেন। নির্বাচনের আগে তিনি বিএনপির ছেড়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে (বিএনএম) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হন। পরে বিএনপি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ