Home স্বাস্থ্য-লাইফস্টাইল গর্ভকালে খাবারের সচেতনতা জরুরি

    গর্ভকালে খাবারের সচেতনতা জরুরি

    গর্ভকালে খাবারের সচেতনতা জরুরি
    Staff reporter (s)

    Published: 12:41:19
    38
    0

    image_pdfimage_print

    কর্পোরেট সংবাদ ডেস্কঃ গর্ভকালে স্বভাবতই খাওয়া-দাওয়ার বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন থাকেন নারীরা। কিন্তু স্বাস্থ্যকর খাবারের তালিকায়ও থাকতে পারে এমন সব খাবার, যা কিনা এ সময়ে শরীরের জন্য সুফল বয়ে আনে না। তাছাড়া ফাস্টফুড ও রেস্তোরাঁর খাবার সম্পর্কেও সচেতন হওয়া জরুরি।

    অপাস্তুরিত দুধ ও জুস: গর্ভকালে অপাস্তুরিত দুধ ও ফল খেতে নিষেধ করা হয় কারণ এতে করে লিস্টেরিয়া জীবাণুর সংক্রমণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে গর্ভস্থ শিশুর ক্ষতি হতে পারে। লিস্টেরিয়া মনোসাইটোজেন অপাস্তুরিত দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, অপাস্তুরিত জুস ও অন্যান্য খাবারে লুকিয়ে থাকে। এমনকি ফ্রিজে রাখা হলেও তা বেড়ে ওঠে। তাই এ সময় এসব খাবার এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।

    অপাস্তুরিত পনির: অপাস্তুরিত দুধের মতো অপাস্তুরিত পনিরও লিস্টেরিয়া দূষণের ঝুঁকি বহন করে। পনির কেনার সময় প্যাকেটের গায়ে দেখে নিতে হবে পাস্তুরিত লেখা রয়েছে কিনা। তাছাড়া রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে পনির রয়েছে, এমন খাবার অর্ডার দেয়ার আগে জেনে নিন, তা পাস্তুরিত পনির দিয়ে তৈরি কিনা। এক্ষেত্রে ঝুঁকি এড়াতে পনিরযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো।

    এনার্জি ড্রিংকস ও কফি: গর্ভকালে ২০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত কফিপান নিরাপদ। অন্যদিকে গর্ভকালে এনার্জি ড্রিংকস একেবারেই এড়িয়ে যেতে হবে।

    কাঁচা পেঁপে: কাঁচা পেঁপেতে রয়েছে ল্যাটেক্স নামক এক ধরনের উপাদান। গর্ভকালে কাঁচা পেঁপে খেলে জরায়ু সংকুচিত হতে পারে। পেঁপের মধ্যকার ল্যাটেক্স নামক এ উপাদান অক্সিটোসিন ও প্রোস্টাগ্লান্ডিন হরমোনের মতো কাজ করে, যা প্রসব ঘটাতে সহায়তা করে।

    অতিরিক্ত চিনি: কুকি, কেক, ক্যান্ডি ও আইসক্রিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে চিনি। অতিরিক্ত চিনি কেবল ওজনই বাড়ায় না, যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তাদের শরীরের জন্যও ক্ষতিকর। তাছাড়া গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে অতিরিক্ত চিনি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শরীর প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি করতে পারে না।

    সোডিয়ামসমৃদ্ধ খবার: গর্ভকালের প্রথম তিন মাস লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভালো। এ সময় শরীর এমনিতেই ফুলে যায় ও শরীরে পানি জমে। আর লবণ ও লবণাক্ত খাবার গ্রহণ শরীরের অবস্থা আরো শোচনীয় করে ফেলতে পারে। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত খাবার ও ফাস্টফুডে সোডিয়াম থাকে বলে এগুলোও এড়িয়ে যাওয়া উচিত।

    কাঁচা ডিম: অল্প ভাজা ডিম, পোচ, বাড়িতে তৈরি মেয়োনেজ, সালাদ ড্রেসার, বাড়িতে তৈরি আইসক্রিম, কেক আইসিং ইত্যাদিতে ডিম পুরোপুরি সিদ্ধ হয় না বা কাঁচা থাকে। এসব খেলে গর্ভবতী মায়ের বমিভাব, পেটে ব্যথা ও ডায়রিয়া হতে পারে। গর্ভকালে পুরোপুরি রান্না করা ডিম খাওয়া উচিত।

    Print Friendly, PDF & Email