Home শিল্প-বাণিজ্য আবাসন খাত আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে

    আবাসন খাত আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে

    আবাসন খাত আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে
    Staff reporter (s)

    Published: 11:49:26
    61
    0

    কর্পোরেট সংবাদ ডেস্কঃ রড-সিমেন্ট-ইটসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের আবাসন খাত আবারো বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে রিহ্যাব নেতারা বলেন, দীর্ঘদিনের মন্দা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারো অস্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে পড়তে যাচ্ছে নির্মাণ শিল্প।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরেন রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন এবং জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন। এ সময় রিহ্যাবের প্রথম সহসভাপতি লিয়াকত আলী ভূইয়া, পরিচালক কামাল মাহমুদ, নাইমুল হাসান, শাকিল কামাল চৌধুরী, প্রকৌশলী ড. মাসুদা সিদ্দিক রোজী, এসএম জাহিদুর রহমান, মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন সিকদারসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    রিহ্যাব সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন বলেন, নির্মাণ খাতের প্রধান উপকরণ রড ও সিমেন্টের দাম অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। ৬০ গ্রেড রডের বর্তমান বাজারমূল্য টনপ্রতি ৬৫-৬৮ হাজার টাকা। ৪০ গ্রেড রডের বাজারমূল্য ৫৩-৫৬ হাজার টাকা। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে এক সপ্তাহ আগেও প্রতি টন ৬০ গ্রেডের রড বিক্রি হয়েছে ৫৯-৬০ হাজার টাকায়। ৪০ গ্রেড রডের বাজারমূল্য ছিল ৫০-৫১ হাজার টাকা। এক বছরে রডের বাজারমূল্য প্রতি টনে বেড়েছে ২৩ শতাংশ। একই সঙ্গে বিভিন্ন কোম্পানির সিমেন্টের দাম বেড়েছে বস্তাপ্রতি ৫০-৬০ টাকা। ইটের দাম বেড়েছে প্রতি হাজারে ১ হাজার টাকা।

    আরও পড়ুনঃ ফেলা দেয়া চুল রফতানিতে আয় ১৫০ কোটি টাকা

    তিনি বলেন, ছয় মাস আগে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রতি বস্তা সিমেন্ট বিক্রি হতো ৩৬০-৩৯০ টাকায়। বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৪২০-৪৬০ টাকায়। এ সময়ে সিমেন্টের ওপর কোনো ধরনের চার্জ বা কর আরোপ করা হয়নি। কাঁচামালের দামও বাড়েনি। তাহলে এ মূল্যবৃদ্ধি কেন? রড, সিমেন্ট, ইট ছাড়াও গত ছয় মাসে পাথরসহ অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়েছে। আমরা মনে করি, এ মূল্যবৃদ্ধি আবাসন শিল্প তথা নির্মাণ খাতের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। বিষয়টি যথাসময়ে ফ্ল্যাট হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় অনিশ্চয়তা তৈরি করবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

    সংবাদ সম্মেলনে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বলেন, নির্মাণসামগ্রীর পাশাপাশি ব্যাংকে গৃহঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় এখন আবাসন খাত আরো ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এতে আবাসন খাতে আবারো গতিহীন অবস্থা তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, রড-সিমেন্টের মূল্যবৃদ্ধি শুধু আবাসন খাতকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না, বরং এর সঙ্গে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ব্যয়ও বাড়াবে। তিনি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমিতির সবার সঙ্গে মতবিনিময় করে উদ্ভূত সমস্যার কার্যকর সমাধান বের করার আহ্বান জানান এবং প্রয়োজনে রড-সিমেন্ট তৈরির কাঁচামালের ওপর কর কমিয়ে দেয়ার দাবি জানান।

    আরও পড়ুনঃ বেড়েছে রড ও অ্যাঙ্গেলের দাম

                     অবশেষে পিডিবিকে ভর্তুকি দিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি