Home bd news সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ইউনিক হোটেল

সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে ইউনিক হোটেল

unique hotel
Senior Staff Reporter (SM)

Published: 10:48:41
41
0

image_pdfimage_print
শেয়ারবাজার ডেস্ক: দেশের প্রধার পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সমাপ্ত সপ্তাহে ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড ৬২ কোটি ৯৫ লাখ ৮১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন করে, যা মোট লেনদেনের চার দশমিক ২০ শতাংশ। গত সপ্তাহে মোট এক কোটি ৩৩ হাজার ৮৫৩টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। শেয়ারদর আগের সপ্তাহের চেয়ে দশমিক ৯৫ শতাংশ কমেছে। সূত্র: ডিএসই।
সর্বশেষ কার্যদিবসে শেয়ারদর দুই দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ বা এক টাকা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬১ টাকা ৯০ পয়সা হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬২ টাকা ৩০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৩ লাখ ৪৬ হাজার ২১১টি শেয়ার মোট ৯৫৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর আট কোটি ৪৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৬১ টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬৩ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৪৬ টাকা ৬০ পয়সা থেকে ৬৪ টাকা ৩০ পয়সায় ওঠানামা করে।

আরও পড়ুন: সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং

ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (সিআরআইএসএল) রেটিং অনুযায়ী কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে পেয়েছে ‘এএ+’ এবং স্বল্প মেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাবছরের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ও ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিবেদনের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।

কোম্পানিটি ২০১২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৮০ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৮৮ টাকা ৮২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ৫৩ কোটি সাত লাখ ৫০ হাজার টাকা।

৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৮ মাসের বিনিয়োগকারীদের ২২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ৬১ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ৮৯ টাকা ২৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ১০৬ কোটি ১৮ লাখ ১০ হাজার টাকা।

এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ২৯৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ এক হাজার ৭০২ কোটি ২৪ লাখ টাকা। চলতি হিসাববছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ইপিএস হয়েছে ৫০ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ২৬ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে ২৪ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৮৯ টাকা ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৮৮ টাকা ৮২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৪ কোটি ৬৬ লাখ ২০ হাজার টাকা।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৭১ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৬৯ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস দুই পয়সা বেড়েছে। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ২১ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল ৯৫ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত এনএভি ছিল ৮৮ টাকা তিন পয়সা, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ছিল ৮৮ টাকা ৮২ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২২ কোটি ১০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

কোম্পানির মোট ২৯ কোটি ৪৪ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৪৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ২৯ দশমিক ১৩ শতাংশ, বিদেশি এক দশমিক ৬২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ২৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.