Home bd news আইওটি নিয়ে সকল সহযোগিতা দেবে সরকার

আইওটি নিয়ে সকল সহযোগিতা দেবে সরকার

সহযোগিতা দেবে সরকার
Staff reporter (s)

Published: 10:24:37
37
0

image_pdfimage_print
কর্পোরেট সংবাদ ডেস্কঃ সামনের বছরগুলোয় সেন্সর প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়ে যাবে বহুগুণ। সেই সঙ্গে জনপ্রিয়তা পাবে আইওটি, মেশিন লার্নিং ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো প্রযুক্তিগুলো। এর সুফল পেতে প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি, আইওটি প্রযুক্তিভিত্তিক ডিভাইস, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ও আর্থিক সহায়তা। আইওটি নিয়ে পরিকল্পিত গবেষণা প্রকল্পে ফান্ড দিতে আগ্রহী সরকার। শুধু গবেষণাই নয়, পণ্য প্রস্তুত থেকে শুরু করে বিপণন পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার।

রাজধানীতে চলমান সফটএক্সপো ২০১৮ আসরের দ্বিতীয় দিনে আয়োজিত ‘আইওটি-চেঞ্জিং লাইফ স্টাইল অ্যাপ্লিকেশন ইন এনার্জি অ্যান্ড আদার ইউটিলিটি সার্ভিসেস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মো. হোসাইন। মূল বক্তব্য রাখেন ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই বিভাগের প্রধান ড. সৈয়দ আকতার হোসেইন ও ডাটাসফটের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সামি আল ইসলাম। আরো বক্তব্য রাখেন মনিকোর পরিচালক ও সিওও মো. সাখাওয়াত সোবহান, লিডস সফটের সিটিও পাপিয়াস হাওদার প্রমুখ। এটি পরিচালনা করেন সিএসিটিএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল ইসলাম। সফটএক্সপোর দ্বিতীয় দিনে মোট ১২টি সেশন ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. তৌফিক-ই-ইলাহী বলেন, পরিকল্পিত গবেষণা প্রকল্পে আমরা ফান্ড দিতে আগ্রহী। তবে তা যেন লক্ষ্যহীন না হয়। শুধু গবেষণা নয়, বরং পণ্য প্রস্তুত থেকে শুরু করে মাকেটিং পর্যন্ত আমরা সহযোগিতা করতে আগ্রহী।

মূল বক্তব্যে ড. সৈয়দ আকতার হোসেইন বলেন, আইওটির মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহূত প্রযুক্তি সেবাপণ্য নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। আইওটি সেবার ফলপ্রসূ ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট ডিভাইসের সহজলভ্যতা, সঠিক নীতিনির্ধারণ, গণসচেতনতা ও মেধাবী তরুণ সমাজের সম্পৃক্ততা।

ডাটাসফটের প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর সামি আল ইসলাম বলেন, আইওটির বাজার ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২০ সালে এ প্রবৃদ্ধির হার ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশ দাঁড়াবে। এ সময়ে আইওটির বাজার ২৬ হাজার ৭০০ কোটি ডলারে (২৬৭ বিলিয়ন) উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে বিভিন্ন খাতে আইওটির ব্যবহারে সাফল্য এসেছে। বাংলাদেশও এক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই। এনার্জি ম্যানেজমেন্টে আইওটির ব্যবহারে এগিয়ে এসেছে ডেসা। এছাড়া কৃষি খাতে আইওটির ব্যবহারে সাফল্য মিলেছে।

ইউল্যাবের অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, আমাদের তরুণরা মেধাবী। আইওটি ডিভাইস বিদেশ থেকে না এনে তাদের দিয়ে তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। এজন্য প্রয়োজন গবেষণা। আর গবেষণালব্ধ ফলাফল প্রয়োগের জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ।

আরও পড়ুনঃ গ্রাহক বাড়লেও মুনাফায় পিছিয়ে রবি

Print Friendly, PDF & Email

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.