Home bd news বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই

বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ডিসিসিআই

jani
Staff Reporter

Published: 17:37:51
112
0

image_pdfimage_print

বাংলাদেশের ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস খাতে যৌথ বিনিয়োগের জন্য ভিয়েতনামের উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি আবুল কাসেম খান। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য খাতে বাণিজ্য সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য ভিয়েতনামের ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে এগিয়ে আসারও প্রস্তাব করেন। গতকাল ডিসিসিআই কার্যালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত ট্রান ভ্যান কাহোয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

স্বাগত বক্তব্যে আবুল কাসেম খান বলেন, ‘ভিয়েতনামের অর্থনীতি ক্রমেই উন্নতির পথে রয়েছে। দেশটি বাংলাদেশের জন্য একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।’ তিনি বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের অর্থনীতি বিকাশের লক্ষ্যে উভয় দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার ওপর জোর দেন। ডিসিসিআই সভাপতি মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা চেম্বারের পক্ষ থেকে ভিয়েতনামে একটি বাণিজ্য প্রতিনিধি দল পাঠানোর প্রস্তাব করেন।

আবুল কাসেম খান বাংলাদেশের কৃষি ও মৎস্য খাতে বাণিজ্য সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য ভিয়েতনামের ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে এগিয়ে আসার প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস পণ্য উৎপাদন খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে। এ খাতে প্রয়োজন হলে ভিয়েতনামের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জয়েন্ট ভেঞ্চারে বিনিয়োগ করতে পারেন।

ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যকার সম্পর্ক আরো দৃঢ় করার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রতিনিধি দল আদান-প্রদানের বিষয়টি অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। তিনি জানান, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের আকার ছিল ৯০ কোটি ডলারের বেশি, যা ২০১৬ সালের প্রায় দ্বিগুণ।

ট্রান ভ্যান কাহোয়া বলেন, বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভিয়েতনাম সরকার চলতি বছরের শেষের দিকে বাংলাদেশে একটি বাণিজ্য মেলা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন, বিশেষ করে সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির কাজ দ্রুততর সময়ে সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন। তার মতে, বাংলাদেশের আমদানি শুল্কহার তুলনামূলক বেশি। এটি কমানো সম্ভব হলে বাংলাদেশের রফতানি বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হবে।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি কামরুল ইসলাম, সহসভাপতি রিয়াদ হোসেন, পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার আকবর হাকিম, আন্দালিব হাসান, হোসেন এ সিকদার, হুমায়ুন রশিদ, খন্দকার রাশেদুল আহসান, কেএমএন মঞ্জুরুল হক, মামুন আকবর, মো. আলাউদ্দিন মালিক, ইঞ্জিনিয়ার মো. আল আমিন ও এসএম জিল্লুর রহমান এবং মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির উপস্থিত ছিলেন।

Print Friendly, PDF & Email