মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
শিরোনাম
নিজস্ব স্বার্থেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা, অন্য দেশের ‘কনসার্ন’ থাকার সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা দেশের ১১ ভাগ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে : মির্জা ফখরুল টাইব্রেকার ট্র্যাজেডি - তারকা সমৃদ্ধ জার্মানিকে কাঁদিয়ে প্যারাগুয়ের রূপকথা মার্টিনেলির শেষ মুহূর্তের ম্যাজিক: - জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে ব্রাজিল তৃণমূলের স্বাস্থ্যসেবা ঢেলে সাজাচ্ছে সরকার - বাজেট দ্বিগুণ, আসছে ই-হেলথ কার্ড ও লাখো জনবল নিয়োগ কানাডার বাংলাদেশ বিজনেস চেম্বার - বিবিসিসি বিজনেস গালা নাইট কানাডা–বাংলাদেশ ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করেছে 1st Quarterly Un-Audited Financial Statements (Q1) for the Quarter ended on March 31, 2026 of Phoenix Finance and Investments Ltd. Price Sensitive Information of Phoenix Finance and Investments Ltd. কাতারে জব্দ থাকা ৬০০ কোটি ডলার ফেরত পাচ্ছে ইরান নোয়াখালীতে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার
advertisement
জাতীয়

প্রয়োজনে ভোটের ১৫ দিন পর্যন্ত পুলিশ রাখা হবে: ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক : সহিংসতা রোধে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রয়োজন হলে ভোটের পরবর্তী ১৫ দিন পুলিশ মোতায়েন রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

বুধবার (১৮ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ভোটের মাঠে নিরাপত্তা নিশ্চিতে মূলত পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, কোস্টগার্ড, আনসার বাহিনী নিয়োজিত থাকে। এ ছাড়া নির্বাচনের সময় ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে কাজ করে সশস্ত্র বাহিনী। পুলিশ ভোটের আগে দুদিন ও পরে দুদিন পর্যন্ত মোট চার দিন দায়িত্ব পালন করে। আনসার সদস্যরা ভোটের আগে-পরে মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেন মোট পাঁচ দিন। অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও তিন থেকে চার দিন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকেন।

তবে নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার আশঙ্কা আছে। বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে কমিশনকে অবহিত করছেন। এরপর কমিশনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিন্তু এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী ভোটের ১৫ দিন পর্যন্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত রাখার সুযোগ আছে। বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে। আর ভোটগ্রহণ হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। সেজন্য ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে এবার ভোটকেন্দ্র হবে ৪২ হাজারের কিছু বেশি। গত নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত বিভিন্ন বাহিনীর ছয় লাখের বেশি সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ‘স্ট্রাইকিং ফোর্স’ হিসেবে ছিল সশস্ত্রবাহিনী। আসন্ন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত নির্বাচনের চেয়েও অনেক বেশি সদস্য নিয়োজিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ