রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
বর্ষায় মানুষের পাশে বাংলালিংক - ১০ সিটি করপোরেশনে ১২ হাজারের বেশি রেইনকোট বিতরণ মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে ৩৪ হাজার ৭১৪ শূন্য পদ দ্রুত পূরণের নির্দেশ জ্বর হলেই ডেঙ্গু পরীক্ষার পরামর্শ চিকিৎসকদের দিনাজপুরে যমুনা ব্যাংকের নোট ম্যানেজমেন্ট বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ মাতারবাড়ি পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল, জানবেন যেভাবে জ্বালানি আমদানিতে জনস্বার্থ ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার
advertisement
জাতীয়

গণমাধ্যম সংস্কারে ১১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিশন গঠন

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : গণমাধ্যম সংস্কারে সাংবাদিক কামাল আহমেদকে প্রধান করে ১১ সদস্যের কমিশন গঠন করেছে সরকার। এই কমিশনের কার্যপরিধিও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- গণমাধ্যমকে স্বাধীন, শক্তিশালী ও বস্তুনিষ্ঠ করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবের লক্ষ্যে ‌প্রধান উপদেষ্টার অনুশাসন অনুযায়ী ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন’ গঠন করা হয়েছে।

এই কমিশনের প্রধান হিসেবে রয়েছেন সাংবাদিক কামাল আহমেদ।

কমিশনের সদস্যরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতিআরা নাসরীন, দ্য ফিন্যানসিয়াল এক্সপ্রেসের সম্পাদক শামসুল হক জাহিদ, নিউজ পেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) সচিব আখতার হোসেন খান, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন ওনার্স (অ্যাটকো) প্রতিনিধি, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম আহমেদ, মিডিয়া সাপোর্ট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক জিমি আমির, দ্য ডেইলি স্টারের বগুড়া জেলা প্রতিনিধি মোস্তফা সবুজ, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের ডেপুটি এডিটর টিটু দত্ত গুপ্ত ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, কমিশন অবিলম্বে কার্যক্রম শুরু করবে। সংশ্লিষ্ট সকল মতামত বিবেচনা করে পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর করবে। কমিশনের কার্যালয় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হবে।

কমিশনের প্রধান ও সদস্যরা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সরকারি পদমর্যাদা, বেতন, সম্মানি ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তবে শর্ত, কমিশন প্রধান বা কোনো সদস্য অবৈতনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চাইলে বা সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করতে না চাইলে তা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করতে পারবেন।

প্রজাতন্ত্রের সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর বা সংস্থা কমিশনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহসহ সকল ধরনের সহযোগিতা দেবে, কমিশন প্রয়োজনে উপযুক্ত ব্যক্তিকে কমিশনের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এ কমিশনকে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন ব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন বিষয়ে সংস্কারের জন্য ছয়টি কমিশন গঠন করেছিল অন্তর্বতী সরকার। এসব কমিশন ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ