নিজস্ব প্রতিবেদক : দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর পুরনো মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করলে নির্বাচন কমিশন (ইসি) হস্তক্ষেপ করবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর।
রোববার (১৫ অক্টোবর) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকেদর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
ইসি আলমগীর বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য তফসিল ঘোষণার পর যেন কোনো রাজনৈতিক মামলা বা আটক করা না হয়। কারও বিরুদ্ধে ক্রিমিনাল অফেন্স থাকলে নির্বাচনের আগে গ্রেপ্তার করুন। তফসিল ঘোষণার পর যেন গ্রেপ্তার করা না হয়।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, তফসিল ঘোষণার পর রাজনৈতিক দলগুলো হাতে সময় পাবে ৪৫ দিন। তফসিল ঘোষণার পর যেন রাজনৈতিক হয়রানি না করা হয় ইসি থেকে সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইসি রোডম্যাপ অনুযায়ী সব কাজ গুছিয়ে নিয়েছে। এছাড়া, এখন পর্যন্ত ইসির অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে তাই ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, পুলিশ ও জেলা প্রশাসকরা নির্বাচনে আমাদের কথামতো কাজ করবেন।
ইসি আলমগীর বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব নিয়েছি দলীয় সরকারের অধীনে। সংবিধানের দৃষ্টিতে ভোটে কোনো বাধা দেখছে না নির্বাচন কমিশন। এ ছাড়া সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের ইস্যুতে আমরা কোনো হস্তক্ষেপ করব না।
তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচন নিয়ে কোনো টেনশন নেই। দেশে এখন পর্যন্ত সব ভোট সুষ্ঠু করে আসছি সামনেও ভোট সুষ্ঠু করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি নির্বাচনে এলে আমরা খুশি হবো। উনাদের দাবি যাদের কাছে আছে সেটা তাদের কাছে আছে। আমরা চাই তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত। আমরা চাই সব রাজনৈতিক দল আসুক। আপনারা (বিএনপি) নির্বাচনে আসুন ভোট সুষ্ঠু হবে।
ইসি বলেন, নির্বাচন নিয়ে কমিশনের সব প্রস্তুতি শেষ। সবাই নির্বাচন চায়, ৪৪ দল আমাদের সঙ্গে আছে। বিএনপিরটা ভিন্ন ইস্যু। রাজপথের সমস্যা উনারা সমাধান করবে। আমরা সাংবিধানিকভাবে কাজ করছি, এর বাইরে যাওয়ার কোনো পথ নেই
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী নভেম্বরে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। আর ভোটগ্রহণ হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। সেই হিসেবে নির্বাচনের আর আড়াই মাস বাকি রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ৫ পরামর্শ মার্কিন প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের
হাত ধোয়ার সামাজিক আন্দোলন বেগবানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
বিদায় সংবর্ধনা নেবেন না ‘দেশকে জাহান্নাম’ বলা বিচারপতি আজাদ