রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
পিক্সেল থেকে পার্সপেক্টিভ - তরুণ ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলারদের একত্রিত করতে হাত মেলালো অপো-বিইউপি মানিকগঞ্জে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার কুবি শিক্ষকের নিখোঁজ ছেলে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ ৮ দফা না মানলে ১ দফার আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি জামায়াত আমিরের ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দেবে সরকার ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চলের শাখাগুলো নিয়ে স্ট্র্যাটেজিক কনক্লেভ অনুষ্ঠিত এনসিসি ব্যাংক ও মেটলাইফ বাংলাদেশের গ্রুপ ইন্স্যুরেন্স চুক্তি স্বাক্ষর তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ উদ্বোধন - জাতীয় গ্রিডে মিলবে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সব জেলা পরিষদে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ সরকারের বেনাপোলে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ  গড়তে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ, ৩ মাসে ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ
advertisement
জাতীয়

ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়

চীন ও মালয়েশিয়ায় দেশের মানুষের স্বার্থই রক্ষা করেছি: প্রধানমন্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে। এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি।"

তিনি বলেন, এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। এ সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি বাংলাদেশের অর্জন। এটি দেশের মানুষের অর্জন।

শনিবার (২৭ জুন) বাজেট অধিবেশনের ১৬তম কার্যদিবসে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। সকাল ১১টায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হয়।

গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সরকারি ছয় দিনের সফল সফর শেষে জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়।

জবাবে সংসদ সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "যে কারণে সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, সে জন্য আমি সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি— সেটি হলো, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ বা ‘বাংলাদেশ প্রথম’।"

তিনি আরও যোগ করেন, "এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। এ সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি বাংলাদেশের অর্জন, এটি দেশের মানুষের অর্জন।"

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে সংসদের সব সদস্যের পাশাপাশি বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, "বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনিও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন।"

এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর এই সফল সফরকে কেন্দ্র করে ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপন করেন। পরবর্তীতে প্রস্তাবটির ওপর বিস্তারিত আলোচনা শেষে এটি কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা এই সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে একটি 'যুগান্তকারী ঘটনা' হিসেবে বর্ণনা করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর এই দুই দেশ সফরের কৌশলগত ও ভূ-রাজনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।

ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, "সংসদের এই আলোচনাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের সামগ্রিক পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেছে।"

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ