রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
শিরোনাম
advertisement
জাতীয়

বন্ধ কারখানা সচলে বিনিয়োগকারীদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বন্ধ ও লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (২০ জুন) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আয়োজিত এক রোডশোতে তিনি এ আশ্বাস দেন।

ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "আমরা চাই আপনারা এগিয়ে যান, সমৃদ্ধ হোন। সরকার আপনাদের সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা করবে। একটি রাজনৈতিক সরকারের প্রধান দায়িত্ব হলো প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পথ তৈরি করা।"

তিনি আরও বলেন, "বাস্তবতা হলো, সরকার একা সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। তবে পরিকল্পিতভাবে এবং সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এসব বাধা অতিক্রম করা সম্ভব। আসুন, আমরা সবাই মিলে পরিবর্তন আনি।"

শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) যৌথভাবে এই রোডশোর আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল বন্ধ ও অকার্যকর রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানাগুলোতে নতুন বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।

অনুষ্ঠানে ৪৪টি কারখানার বিস্তারিত তথ্য, অবস্থান, বিদ্যমান অবকাঠামো, বিনিয়োগ প্রণোদনা, পরিবহন-সংযোগ এবং উৎপাদন সম্প্রসারণের সম্ভাবনার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়। এরপর উন্মুক্ত আলোচনায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা প্রায় ৫০টি প্রশ্ন করেন, যার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির; প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর; ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ; বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন; বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার।

দেশের শীর্ষ শিল্পগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রাণ-আরএফএল, এসিআই লিমিটেড, ওয়ালটন, মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, রানার, টি কে গ্রুপ, ব্র্যাক, নাবিল গ্রুপ, স্কয়ার গ্রুপ, ট্রান্সকম গ্রুপ, আকিজ গ্রুপ ও লাল তীরের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

পাশাপাশি জাপানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান মারুবেনি করপোরেশন, টয়োটা সুশো করপোরেশন, সুমিতোমো করপোরেশন, এমইউএফজি ব্যাংক লিমিটেড, মিতসুই অ্যান্ড কোং (এশিয়া প্যাসিফিক) পিটিই লিমিটেড, সোজিৎস এশিয়া পিটিই লিমিটেড, জেট্রো এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাসের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ