সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ - ইউনিয়ন পরিষদ পেল ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বেড়ে ৭ দুই বছর পর চালু হচ্ছে কলকাতা-খুলনা  বন্ধন এক্সপ্রেস ট্রেনটি ২৮ সেপ্টেম্বর তাল্লু স্পিনিংয়ের বোর্ড সভা শিবপুরে নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার হালুয়াঘাটে আকস্মিক ঝড়ে ঘরবাড়ি গাছপালা বিদ্যুতের খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত সর্বোচ্চ নিট পেনশন ৭০,২০০ টাকা নির্ধারণ - ১ জুলাই থেকে সরকারি পেনশন কার্যকর সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় এমপি গাজী নজরুল ও তার স্ত্রী গ্রেপ্তার জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী
advertisement
আইন-আদালত

সাদ মুসা গ্রুপের এমডি ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে আপিল বিভাগের নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক: চেক ডিজঅনার মামলায় সাদ মুসা গ্রুপের কর্নধার মো. মহসিন ও তার স্ত্রী এবং প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শামীমা নার্গিস চৌধুরীকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আপিল বিভাগ। আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুন) প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ৭ সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

এ বিষয়ে দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম বলেন, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৭টি মামলার মোট ৪৬৭ কোটি টাকার চেক ডিজঅনার হয়েছে। আজকের মামলাটি ছিলো ৫ কোটি ১৬ লক্ষ টাকার। এর আগের প্রধান বিচারপতির আলাদত থেকে তাকে আজকের দিন পর্যন্ত সময় দিয়ে বলা হয়েছিলো, ৬ জুনের মধ্যে ৫ কোটি টাকা দিলে বিদেশ যেতে অনুমতি দেয়া হবে। তবে আজ তারা টাকা না দিয়ে আরও সময়ের আবেদন করেন।

তিনি আরও বলেন, এর আগে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এবং দায়রা আদালত তাকে বিদেশ যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিলো। তবে সেটি হাইকোর্ট স্থগিত করেন ৬ মাসের জন্যে। পরে মামলা চেম্বার আদালত হয়ে পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আসে।

মোহাম্মদ মহসিন নগরের পূর্ব নাসিরাবাদের হাজি নুর আহমদ রোডের চৌধুরী ভিলার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে ১০টি ঋণ খেলাপের মামলা রয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সাদ মুসা গ্রুপের ৩ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী রেজাউল করিম।

আদালত আদেশে উল্লেখ করেছেন, ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে এমএ রহমান ইন্ডাস্ট্রিজের নামে ৮৩ কোটি টাকা ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৫৫ টাকা ঋণ নেন মোহাম্মদ মহসিন। কিন্তু তা পরিশোধ না করে মেরে দেয়ার ঘটনায় খেলাপি হয়ে যায়। তারপর খেলাপি ঋণ আদায়ে অর্থঋণ মামলা হয়। ২০২৩ সালের ২৬ নভেম্বর মামলাটি করা হয়। এ ঋণ দুই বার পুনঃতপশিল করা হয়। সুদও মওকুফ করা হয়েছে। তারপরও মহসিন কোনো ঋণ পরিশোধ করেননি। এ অবস্থায় বিবাদীরা বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ পরিশোধ না করে দেশত্যাগের পাঁয়তারা করছেন। তাই আদালত দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ