রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
এমটিবি ও সিডিবিএলের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর গৌরীপুরে বাড়ির সামনের পুকুর থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার রামিসা হত্যার মতো অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুত হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অপ্রতীম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩ মানবতাবিরোধী অপরাধ - ইনুর ১০ বছরের সাজা: প্রকাশ হলো ৫০০ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ চাকরি নিয়ে তদবির করলেই বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ ইত্যাদি এবার নকশিকাঁথার জামালপুরে ২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ অপ্রতিম হত্যা - আটক কিশোরের বাসা থেকে সেই আইফোন উদ্ধার এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
advertisement
আইন-আদালত

মুক্তাগাছায় দুই মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদসহ আসামি ২৩৫৫ জন

ময়মনসিংহ ব্যুরো : ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে পৃথক দু’টি মামলায় ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী খালিদ বাবুসহ ২৩৫৫ জন আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাতে মামলা দু’টি করা হয়।

রোববার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ফারুক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানাযায়, মুক্তাগাছা পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম শহীদ বাদী হয়ে একটি এবং উপজেলার ৮ নম্বর দাওগাঁও ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাগুলো করেন। দুই মামলায় মোট ১৫৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ২ হাজার ৩৫৫ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন-উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কেএম খালিদ বাবু এবং সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার, উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আরব আলী, ৯ নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ ২ হাজার ৩৫৫ জন। এই দু’টি মামলাতেই সাবেক প্রতিমন্ত্রীকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে গত ৪ আগস্ট আন্দোলন দমনের নামে উপজেলায় বিএনপির কার্যালয় ও নেতাকর্মীদের ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের দায়ী করে বিচারের দাবিতে এবং এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলা ও পৌর বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদল নেতাকর্মীরা। দোষীদের শাস্তির আওতায় আনতে থানায় পৃথক দু’টি মামলা করেন বিএনপির নেতা তারিকুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফারুক আহম্মেদ বলেন, এ ব্যাপারে দু’টি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকেই সাবেক সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ, সাবেক পৌর মেয়র বিল্লাল হোসেন সরকার, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আরব আলীসহ আওয়াামী লীগ নেতারা গা ঢাকা দিয়ে আছেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ