বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১ হাজার ৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ শার্শায় ৩ ঘণ্টার মধ্যে অপহৃত উদ্ধার, অপহরণকারী আটক হাম ও ‎হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু চাকরি গেল বিপ্লব কুমার-গোলাম রুহানীসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তার ১৬ বছরের সমস্যা ৫-৬ মাসে শতভাগ সমাধান সম্ভব নয় : মাহ্দী আমিন লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু আইএফআইসি ব্যাংকের ঢাকা অঞ্চলের অর্ধ-বার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন অনুষ্ঠিত আইসিএমএবিতে পরিবেশ-সামাজিক ও সুশাসন চর্চা কেন্দ্রের উদ্বোধন এসএসসিতে অকৃতকার্য, দুইদিন পর পুকুর থেকে শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে ২ লাখ ৫০ হাজার র‍্যানসমওয়্যার হামলা ঠেকিয়েছে ক্যাসপারস্কি
advertisement
জানা-অজানা

এক ফুট লম্বা দাড়ি নিয়ে তরুণীর বিশ্বরেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : মুখভর্তি লম্বা দাড়ি দিয়ে গিনেস বুকে নাম লেখালেন মার্কিন তরুণী এরিন হানিকাট। বর্তমানে বিশ্বে জীবিত নারীদের মধ্যে সবচেয়ে লম্বা দাড়ির মালিক তিনি। সম্প্রতি এ বিষয়ে গিনেস কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিও পেয়েছেন এরিন।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান শহরের বাসিন্দা এরিন হানিকাট। মাত্র ১৩ বছর বয়সে প্রথমবার শারীরিক তথা সামাজিক অস্বস্তির মধ্যে পড়েন। মুখে ‘ছেলেদের মতো’ দাড়ি গজাতে শুরু করে কিশোরী এরিনের।

শুরুতে নিয়মিত মুখের পশম তুলে ফেলতেন। ওয়াক্সিং করতেন, হেয়ার রিমুভাল লোশন ব্যবহার করতেন। কখনো কখনো দিনে তিনবার পর্যন্ত দাড়ি শেভ করেছেন তিনি।

কিন্তু একবার উচ্চ রক্তচাপের কারণে চোখে স্ট্রোক হয় তার। এরপরেই দাড়ি কাটা বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। এ বিষয়ে তাকে উৎসাহ দেন ‘স্ত্রী’ জেন।

ফলে দিনে দিনে বাড়তে থাকে এরিনের দাড়ির দৈর্ঘ্য। একপর্যায়ে তা ভেঙে দেয় পুরোনো বিশ্বরেকর্ড। প্রায় এক ফুট লম্বা দাড়ি হয়েছে এরিনের।

তিনি ৭৫ বছর বয়সী ভিভিয়ান হুইলারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ভিভিয়ানের দাড়ির দৈর্ঘ্য ছিল ১০.০৪ ইঞ্চি। অর্থাৎ এরিনের দাড়ি ১.৪ ইঞ্চি বেশি লম্বা। সে কারণেই নতুন বিশ্বরেকর্ডের মালিক হয়েছেন তিনি।

তাই বলে একজন মেয়ের মুখে দাড়ি হওয়া নিয়ে কি কটাক্ষের স্বীকার হননি? এরিন জানিয়েছেন, পরিবার পাশে থাকায়ই সেসব কটাক্ষ-কটূক্তিকে অতিক্রম করতে পেরেছেন।

৩৮ বছর বয়সী এরিনের মুখে দাড়ি হওয়ার জন্য দায়ী ছিল মূলত পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (পিসিওএস)। এটি হলে মানবদেহে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে অনিয়মিত ঋতুস্রাব, ওজন বৃদ্ধি, বন্ধ্যাত্ব এবং অতিরিক্ত চুল বা পশম বাড়তে দেখা যায়।

তবে পিসিওএসে আক্রান্ত হওয়াই এরিনের জীবনে একমাত্র চ্যালেঞ্জ ছিল না। ২০১৮ সালে এক দুর্ঘটনায় পায়ে গ্যাংগ্রিন হয় তার। ফলে বাম পায়ের অর্ধেকটা কেটে ফেলে দিতে হয় তাকে।

এছাড়া চোখে স্ট্রোক হওয়ার পর আংশিক দৃষ্টিশক্তিও হারান। এরপরও হতাশ হননি, কিংবা জীবনযুদ্ধে থেমে থাকেননি এরিন হানিকাট।

চিকিৎসক এরিনকে বলেছিলেন, তিনি যদি ইতিবাচক চিন্তাভাবনা করেন তাহলে তিন শতাংশ দ্রুত সেরে উঠবেন। সেই কথার ভিত্তিতেই ‌‘বিশ্বের সবচেয়ে ইতিবাচক মানুষ’ হয়ে উঠেছেন বলে দাবি করেছেন এ তরুণী।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ