সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
আন্তর্জাতিক

বিতর্কিত হিজাব আইন স্থগিত করলো ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরানের হিজাব সংক্রান্ত বিতর্কিত একটি আইন স্থগিত করেছে দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল। গত শুক্রবার থেকে দেশটিতে আইনটি কার্যকর করার কথা ছিল। তবে আইনটি সম্পর্কে ‘অস্পষ্ট এবং সংস্কারের প্রয়োজন’’ বলে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মন্তব্যের পর এটি স্থগিত করা হলো।

প্রস্তাবিত আইনে নারীদের চুল, হাতের বাহু ও পায়ের নিচের অংশ প্রদর্শনে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা রাখা হয়। এই আইনে অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটলে এবং নিয়ম নিয়ে উপহাস করলে তাকে বড় ধরনের জরিমানা এমনকি ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডেরও বিধান রাখা হয়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো এ আইন নিয়ে গোড়া থেকেই তাদের শঙ্কা ব্যক্ত করে আসছিল। অধিকার কর্মীরা আইনটির তীব্র সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠে।

নারীদের জন্য কঠোর পোশাক আইন কয়েক দশক ধরে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একে কেন্দ্র করে অতীতে অনেক বিক্ষোভেরও জন্ম হয়েছে।

আইনটি নিয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরানের কর্তৃপক্ষ ‘দমন পীড়নের দম বন্ধ করা প্রক্রিয়াকে আরও সুরক্ষিত করতে চাইছে। দেশটির নারী ও পরিবার বিষয়ক সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আইনটির সমালোচনা করে বলেন, ‘নতুন আইন হলো ইরানের জনসংখ্যার অর্ধেকের জন্য একটি অভিযোগপত্র।’

জুলাইয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী থাকাকালীন পেজেশকিয়ান প্রকাশ্যেই হিজাব ইস্যুতে ইরানের নারীদের সঙ্গে আচরণের কঠোর সমালোচনা করেন। কারও ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ না করারও অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি। সরকারের কঠোর নিয়ন্ত্রণে হতাশ তরুণ প্রজন্মসহ বিপুল সংখ্যক ইরানি জনগোষ্ঠির প্রত্যাশা তখন তার বক্তব্যে প্রতিধ্বনিত হয়।

গত দুই বছর ধরে অনেক ইরানি তরুণী প্রকাশ্যেই হিজাব পরিধান না করে সরকারের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। গত সপ্তাহেও ৩০০ ইরানি অধিকারকর্মী, লেখক এবং সাংবাদিক প্রকাশ্যে নতুন হিজাব আইনের প্রতিবাদ করেছেন। তারা এটিকে ‘অবৈধ ও অপ্রয়োগযোগ্য’ আখ্যায়িত করে প্রেসিডেন্টের প্রতি তার নির্বাচনী অঙ্গীকারকে সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান।

দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ঘনিষ্ঠ কট্টরপন্থী অংশের চাপ সত্ত্বেও ইরানের অনেক তরুণ সরকারের বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে ভীতিহীনভাবে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।

নতুন হিজাব আইন নারীদের আইন ভঙ্গ ঠেকাতে ব্যর্থ হতে পারে। এমনকি পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে বলে ভাবছেন পেজেশকিয়ানের সমর্থকরা।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ