মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অল্লু অর্জুন-দীপিকার ‘রাকা’ বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত - পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নিউইয়র্ক–ঢাকা রুটে বিমান চালুর রোডম্যাপ চান যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীরা অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ
advertisement
আন্তর্জাতিক

বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ পোস্ট করেছেন। তিনি বলেছেন, কঠিন এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে পাকিস্তান। আজ শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে এক্স অ্যাকাউন্টে এ পোস্ট দেন তিনি।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘বাংলাদেশে বন্যায় প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। আমি বাংলাদেশের জনগণ এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। এই ট্র্যাজেডির মুহূর্তে বাংলাদেশের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছে পাকিস্তান।’

শেহবাজ শরিফ আরও লেখেন, ‘আমি আত্মবিশ্বাসী যে, বাংলাদেশের সহনশীল জনগণ তাদের চারিত্রিক অধ্যবসায় ও দৃঢ়তা দিয়ে এই কঠিন সময়কে অতিক্রম করবে।’

উল্লেখ্য, দেশের ১১টি জেলা বন্যা প্লাবিত আছে। বন্যা তীব্র আকার ধারণ করেছে ফেনীতে। এছাড়া চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার জেলা বন্যাকবলিত হয়েছে।

১১ জেলায় মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকসংখ্যা ৪৪ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩৫ জন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ৮ লাখ ৮৭ হাজার ৬২৯ জন বলেও জানা গেছে।

এখন পর্যন্ত বন্যায় মোট ১৩ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে দুইজন নারী রয়েছেন। এতে কুমিল্লায় ৪ জন, ফেনীতে একজন, চট্টগ্রামে ২ জন, নোয়াখালীতে একজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন, লক্ষ্মীপুরে একজন এবং কক্সবাজারে তিনজন মারা গেছেন।

এদিকে আশ্রয়ের জন্য ৩ হাজার ১৬০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে এক লাখ ৮৮ হাজার ৭৩৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়াও ১১ জেলার ক্ষতিগ্রস্তদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য মোট ৬৩৭টি মেডিকেল টিম চালু রয়েছে।

ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কুমিল্লা, হবিগঞ্জ ও লক্ষ্মীপুর জেলার বন্যা উপদ্রুত এলাকায় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও বিজিবি জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছে।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ