মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
ঘরে ঘুমিয়ে থাকা মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ মিলল ধান খেতের পাশে মুক্তির আগেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে অল্লু অর্জুন-দীপিকার ‘রাকা’ বিশ্বমঞ্চে গণমানুষের অধিকার ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী পলায়ন ও কর্মস্থলে অনুপস্থিত - পুলিশের ঊর্ধ্বতন ৬ কর্মকর্তা বরখাস্ত আনলিমা ইয়ার্ন ডাইংয়ের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন হাইকোর্টের স্থায়ী বিচারপতি হলেন দেবাশীষ রায় চৌধুরী নিউইয়র্ক–ঢাকা রুটে বিমান চালুর রোডম্যাপ চান যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসীরা অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয়
advertisement
আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন ১৪০ কোটি ভারতীয় : মোদি

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে ভাষণ দিয়েছেন তাতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ। বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক লালকেল্লা ময়দানে স্বাধীনতা দিবসের ভাষণ দেন নরেন্দ্র মোদি।

সেই ভাষণে নরেন্দ্র মোদি বলেন, ১৪০ কোটি ভারতীয় আজ বাংলাদেশের হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু অমুসলিম নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ভারত সবসময়ই বাংলাদেশের উন্নয়নের শুভাকাঙ্ক্ষী। আমরা আশা করছি বাংলাদেশে শিগগিরই স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসবে। ভারত চায় বাংলাদেশের সব হিন্দু ও অন্যান্য সংখ্যালঘু অমুসলিম নাগরিকদের নিরাপত্তা যেন নিশ্চিত হয়।

শিক্ষার্থী জনতার টানা এক মাসের আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন তিনি। শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর ইতোমধ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে; বাংলাদেশের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহম্মদ ইউনূস সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। কয়েক দিন আগে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার শাহবাগে দেশজুড়ে হিন্দুদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবরে বলা হয়, সরকার গঠন করার পর দেশের হিন্দু ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের আশ্বস্ত করতে গত মঙ্গলবার ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানী ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যান এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের ‘ন্যায়বিচার’ ও ‘সম–অধিকার’ সুনিশ্চিত করার কথা বলেছেন।

সেদিন ড. ইউনূস বলেছিলেন, ‘সবার সমান অধিকার। আমরা সবাই এক, আমাদের অধিকারও এক। আমাদের ভেতর কোনো বিভেদ সৃষ্টি করবেন না। আমাদের সহায়তা করুন। ধৈর্য ধরুন এবং পরে বিচার করুন—আমরা কী করতে পেরেছি, আর কী পারিনি। যদি আমরা ব্যর্থ হই, তখন আমাদের সমালোচনা করবেন। প্রশাসন পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেছিলেন, হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত হতে হবে না।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ