মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী - জ্বালানি তেল পাচার রোধ ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই মূল্য সমন্বয় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব শান্তি দিবস-২০২৬ উদযাপন করল জেএমআই গ্রুপ সাড়ে পাঁচ বছরের মধ্যে ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে টাকা জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি - বেনাপোলে ট্রাকপ্রতি ভাড়া বেড়েছে ৪-৫ হাজার টাকা, দ্রব্যমূল্যে প্রভাব পড়ার শঙ্কা মমেক হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড - তদন্ত কমিটির মেয়াদ বাড়লো আরও ৫ দিন আন্তর্জাতিক বাজারে ওয়ালটনের মতো দেশীয় ব্র্যান্ডকে আরও তুলে ধরতে হবে: রাষ্ট্রদূত গ্যালাক্সি এ৩৭ ৫জি ও গ্যালাক্সি এ৫৭ ৫জি-তে স্যামসাংয়ের ক্যাশব্যাক অফার নান্দাইলে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন দেশের এসইউভি বাজারে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করলো দীপাল এস০৫ পিএইচইভি রেফ্রিজারেটরের যে যত্নগুলো নেয়া প্রয়োজন
advertisement
বিনোদন

নাট্যজন মামুনুর রশীদের পক্ষ নিয়ে শিল্পী সংঘের প্রতিবাদ

বিনোদন ডেস্ক : বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নাট্যজন ও অভিনেতা মামুনুর রশীদের একটি মন্তব্য নিয়ে কয়েকদিন ধরে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। তিনি একটি অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি ও শিল্প অঙ্গনের বর্তমান চালচিত্র নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে এক পর্যায়ে বলেছেন, ‘আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।’

নাট্যজন মামুনুর রশীদের এই উক্তিতে নাটক ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের বেশির ভাগ মানুষই সহমত পোষণ করেছেন। কাউকে আবার এর বিপক্ষে অবস্থান নিতেও দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মামুনুর রশিদকে নেতিবাচক সমালোচনা করতে দেখা গেছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছে নাটকের সংগঠন ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বুধবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। ‘অভিনয়শিল্পী সংঘ’-এর সভাপতি অভিনেতা আহসান হাবিব নাসিম নিজেই তার ফেসবুকে পোস্ট করেছেন।

এ বিবৃতিতে তিনি লিখেছেন , সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের অগ্রজ নাট্যজন, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, আমাদের সবার প্রিয় শ্রদ্ধার ভালোবাসার অভিনয়শিল্পী, অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সম্মানিত উপদেষ্টা মামুনুর রশীদ একটি সাক্ষাৎকারে সাম্প্রতিক সময়ের আমাদের দেশের শিল্প-সাহিত্য, রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতিসহ নানান বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন। বিশেষ করে আমাদের শিল্প-সাহিত্য নাটক ও চলচ্চিত্রে সাম্প্রতিক রুচির যে অবনমন, যে ধরনের বিষয়বস্তু প্রাধান্য পাচ্ছে ও আলোচিত হচ্ছে তা নিয়ে তিনি শংকিত হয়ে বলেছেন, ‘আমাদের রুচির দুর্ভিক্ষ চলছে….।’ উদাহরণ হিসেবে প্রতিকী অর্থে একটি নাম বলেছেন। তিনি কোনোভাবেই কোনো ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে বলেননি বলেই আমরা বিশ্বাস করি।

আহসান হাবিব নাসিম প্রতিবাদ জানিয়ে আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশে একজন মামুনুর রশীদের অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি তার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বিকাশে। একটি বিশেষ সম্প্রদায় মামুনুর রশীদের বলা একটি শব্দ, লাইনকে ব্যবহার করে যেভাবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, বিভাজন তৈরি করছে, তা ভীষণ নিন্দনীয় এবং অগ্রহণযোগ্য। যে বা যারা এই কাজটি করছেন, তারাই শিল্প ও সংস্কৃতির প্রধান শত্রু। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা মামুনুর রশীদের সঙ্গে একমত। রুচি ও মূল্যবোধের ভীষণ অবক্ষয় চলছে।

সংগঠনটির সদস্য-নেতাদের অনেকেই একই বিবৃতি পোস্ট করেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু, প্রাণ রায়, অভিনেত্রী তানভীন সুইটি, নাজনিন হাসান চুমকি, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, গোলাম ফরিদা ছন্দা প্রমুখ।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ