বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক বিজয়: প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ বাংলাদেশে সৌদি আরবের বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সূচকের মিশ্রাবস্থায় লেনদেন শেষ দুই বছরেও উদ্ধার হয়নি ৪ আগস্টের অবৈধ অস্ত্র, ৯ মামলার মধ্যে ৩টির চার্জশিট নোয়াখালীতে ডাকাতির তিন দিন পর ৪ ডাকাত গ্রেপ্তার ভারত থেকে এলো ৯ টন কাঁচামরিচ নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্যালন ডি’অর দৌড় ২০২৬ - ফুটবলের মর্যাদাকর পুরস্কারটি জিতবেন কে?
advertisement
শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি

বই ছাপার ভুল সংশোধন করেই আমরা সেগুলো পৌঁছাচ্ছি : শিক্ষামন্ত্রী

কর্পোরেট সংবাদ ডেস্ক : শিক্ষামন্ত্রী ডা: দীপু মনি বলেছেন, বই ছাপার মধ্যে সমস্যা হলে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত থাকে। ২০২৩ সালের জন্য যে বইগুলো তৈরী করা হচ্ছে সেগুলোতে কোন ভুল হলে আমরা সেগুলো সংশোধন করেই পৌঁছাচ্ছি।

শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিক সমাবেশে বই ছাপার ক্ষেত্রে ভুল সংশোধন সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীপু মনি আরো বলেন, আগামী বছর প্রাথমিকের প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণী এবং মাধ্যমিকে ৬ষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীতে নতুন শিক্ষাক্রম চালু হচ্ছে। এই বইগুলো নতুন বই। বইগুলো আমরা ২০২২ সালে পাইলটিং করেছি। আমরা শিক্ষায় রূপান্তর ঘটাচ্ছি অর্থাৎ আমরা কিভাবে পড়াচ্ছি, সেভাবে মূল্যায়ন হবে। সে কারণে ২০২৩ সালেও উল্লেখিত শ্রেণীতে বইগুলো পরীক্ষামূলক সংস্করণ হিসেবে যাবে। তাই সারা বছর আমরা শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবারও প্রতিক্রিয়া নিব এবং ২০২৪ সালে যে বইগুলো যাবে সেখানে পরিমার্জন, সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজন যা দরকার তা করে নিব।

মন্ত্রী বলেন, বিগত ২০২১ সালের বইগুলোতে অনেক ভুল ছিল। আমরা সেগুলো অতিমারির সময় অনেক কাজ করে সংশোধন করেছি। যে কারণে ২০২২ সালে তেমন ভুল ছিল না। এবছর আশা করছি তেমন ভুল হবে না। যদি হয়, তাহলে আমরা সেগুলো সঙ্গে সঙ্গে সংশোধন করার চেষ্টা করব।

দীপু মনি বলেন, আমরা নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে সারাদেশব্যাপী শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আবার যারা প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন, তাদেরকেও প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আর এই প্রশিক্ষণ চলছে অনলাইনে। যারা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন তারা যখন নতুন বই পেয়ে পাঠদান করবেন প্রথম ৫দিন তাতে ভুল ত্রুটিসহ সমস্যাগুলো দেখবেন। স্কুল বন্ধ থাকার দুইদিন সেগুলো আবার শিখে নিবেন। এইভাবে তারা এগিয়ে যাবেন। শিক্ষাকরা কিভাবে ক্লাশ নিবেন সে বিষয়ে আমরা একটি গাইড লাইন দিয়েছি। শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন হওয়ার কারণে শিক্ষকদের ভূমিকাতেও ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এ কারণে তারা ৫ দিন ক্লাশের পর দুইদিন প্রশিক্ষণ পাবেন। অনেকের ধারণা ছিল অনলাইনে ভাল প্রশিক্ষণ হয়না, কিন্তু এখন সেই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। আমরা সরাসরিও প্রশিক্ষণ দিব, তবে বেশী দূরে যেতে হবে না। সর্বোচ্চ উপজেলা পর্যায়ে এসে প্রশিক্ষণ নিতে হবে।

এ সময় চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র মো. জিল্লুর রহমান, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাব সভাপতি গিয়াস উদ্দিন মিলন, সহ-সভাপতি রহিম বাদশা, সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ ফেরদৌসসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ পাওয়া সংবাদ